ক্রাইস্টচার্চে জিততে হলে রান তাড়ায় রেকর্ড গড়তে হতো নিউজিল্যান্ডকে। সেটা যে কঠিন ছিল তা ম্যাচ শেষে প্রমাণ মিলেছে। ২৩৭ রানের লক্ষ্যে নেমে ১৭১ রানে অলআউট হয়েছে।
ঘরের মাঠে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৬৫ রানে হেরে সিরিজেও পিছিয়ে গেছে নিউজিল্যান্ড।
সংক্ষিপ্ত সংস্করণে রান তাড়ায় নিউজিল্যান্ডের আগের রেকর্ডটি ছিল ২০১ রানের। ২০১২ সালে হামিল্টনে রব নিকোল ও জেমস ফ্রাঙ্কলিনের জোড়া ফিফটিতে জিম্বাবুয়েকে ৫ উইকেটে হারিয়েছিল কিউইরা।
সেটা পারেননি টিম সেইফার্ট-রাচিন রবীন্দ্ররা। বড় ইনিংস তো দূরের কথা বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে কোনো ব্যাটারই ফিফটি করতে পারেননি। সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেছেন ওপেনার সেইফার্ট।
এর আগে শুরুটাও হয় ধাক্কায়। দলীয় ১৮ রানে ফেরেন টিম রবিনসন ও রাচিন। তবে মার্ক চ্যাপম্যানের সঙ্গে ৬৯ রানের জুটি গড়ে খেলার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিলেন সেইফার্ট।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ক্রাইস্টচার্চে ঝড় তোলেন ফিল সল্ট-হ্যারি ব্রুক। ওপেনিং সঙ্গী জস বাটলার (৪) দ্রুত ফিরলেও আউট হওয়ার আগে ৮৫ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেছেন সল্ট। ১৫১.৭৮ স্ট্রাইক রেটের ইনিংসটি সাজান ১ ছক্কার বিপরীতে ১১ চারে।
তবে সল্টের চেয়ে ইনিংসে বিধ্বংসী ছিলেন অধিনায়ক ব্রুক। ২২২.৮৫ স্ট্রাইক রেটে ৭৮ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। ৬ চারের বিপরীতে মারেন ৫ ছক্কা। দুজনে ফিফটি করার পথে তৃতীয় উইকেটে ১২৯ রানের জুটি গড়েছেন। সেই জুটিতে ভর করেই ইংল্যান্ড ৪ উইকেটে ২৩৬ রানের সংগ্রহ পায়।
রেকর্ড রান তাড়া করতে না পারলেও ভিন্ন এক রেকর্ডে সঙ্গী হয়েছে নিউজিল্যান্ড। দুই দলের মোট ৪০৭ রান এক ম্যাচে সর্বোচ্চ। আগের সর্বোচ্চ ছিল ৪০৬ রান। ২০১৯ সালে নেপিয়ারে করেছিল দুই দল।


