NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুলাই ৯, ২০২৬ | ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের
Logo
logo

মণিপুরের পরিস্থিতি দেখতে যাচ্ছেন রাহুল গান্ধী


খবর   প্রকাশিত:  ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০৫:১৩ পিএম

মণিপুরের পরিস্থিতি দেখতে যাচ্ছেন রাহুল গান্ধী

সেনা মোতায়েন থেকে সর্বদল বৈঠক। কেন্দ্রের একাধিক পদক্ষেপ সত্ত্বেও হিংসা থামার লক্ষণ নেই ভারতের দাঙ্গা উপদ্রুত মণিপুর রাজ্যে। সেখানে সংঘর্ষে প্রাণহানির মধ্যেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিদেশ সফর নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী আগামী বৃহস্পতি ও শুক্রবার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ওই রাজ্য পরিদর্শনের কথা ঘোষণা করলেন।

মঙ্গলবার অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস কমিটির সাধারণ সম্পাদক কেসি বেণুগোপাল রাহুলের সফরের কথা ঘোষণা করে বলেন, ‘রাহুল মণিপুর সফরে সংঘর্ষের ঘটনায় ঘর ছাড়াদের শিবিরগুলো পরিদর্শন করবেন। আলোচনা করবেন মণিপুরের নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও।’

প্রায় দুই মাস ধরে চলা ধারাবাহিক সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা দেড়শ ছুঁতে চলছে। ঘরছাড়া প্রায় ৫০ হাজার মানুষ! গত শনিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মণিপুর পরিস্থিতি নিয়ে সর্বদল বৈঠক করলেও তার পরেও মেইতেই এবং কুকি সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষের একাধিক ঘটনা ঘটেছে।

মে মাসের তিন থেকে ছয় তারিখ পর্যন্ত পুরো রাজ্যে ভয়াবহ সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছিল, মেইতেই আর কুকি সম্প্রদায়ের মানুষ একে অপরকে টার্গেট করেছিল।

স্থানীয়রা বলছেন, মণিপুর এখন দু টুকরো হয়ে গেছে, যার একটা অংশে আছেন মেইতেই সম্প্রদায়ের মানুষ, অন্য অংশে রয়েছেন কুকিরা। এই সহিংসতা এক, দুই বা চারদিনের নয়, টানা কয়েক সপ্তাহ ধরে চলছে। পরিবার ধ্বংস হয়েছে, বাড়িঘর জ্বলে পুড়ে গেছে, উজাড় হয়ে গেছে গ্রামগঞ্জ।

জানা যায়, স্বাধীনতার পর থেকে, খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী কুকি সম্প্রদায় তফসিলি উপজাতির মর্যাদা পেয়েছে, অন্যদিকে মেইতেইরা হিন্দু ধর্মাবলম্বী। মেইতেই সম্প্রদায়ের মানুষ কুকিদের এলাকায় জমি কিনতে পারেন না, তাই তারা উপজাতির মর্যাদা চাইছেন।