NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের
Logo
logo

সু চির আপিল শুনানির সিদ্ধান্ত মিয়ানমারের সুপ্রিম কোর্টের


খবর   প্রকাশিত:  ১১ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৭:২২ এএম

সু চির আপিল শুনানির সিদ্ধান্ত মিয়ানমারের সুপ্রিম কোর্টের

সেনা অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত এবং কারাবন্দি গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চির একটি আপিলের শুনানি হবে মিয়ানমারের সুপ্রিম কোর্টে। চলতি সপ্তাহেই এই শুনানি হবে বলে জানা গেছে।

সূত্রের বরাত দিয়ে সোমবার এক প্রতিবেদনে বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ক্ষমতাসীন জান্তা সুচির বিরুদ্ধে যে একগুচ্ছ দুর্নীতির অভিযোগ এনেছে, সেসবের মধ্যে দু’টি অভিযোগের বিরুদ্ধে আইনজীবীর মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেছিলেন সু চি। তার মধ্যে আপাতত একটির শুনানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মিয়ানমারের সর্বোচ্চ আদালত।

২০২১ সালে সামরিক বাহিনী মিয়ানমারের ক্ষমতা দখলের পর এই প্রথম দেশটির রাজনীতি ও ক্ষমতা কাঠামোতে দেশটির সুপ্রিম কোর্টের উপস্থিতি পরিলক্ষিত হলো। মিয়ানমারে বর্তমান জান্তা শাসনামলে এটি একটি বড় ঘটনা।

২০২০ সালের জাতীয় নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে ২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সু চির নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমেক্রেসি (এএলডি) সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতাগ্রহণ করে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী। সেনাপ্রধান জেনারেল মিন অং হ্লেইং সেই অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেন।

ক্ষমতা দখলের পর অজ্ঞাত এক কারাগারে বন্দি করা হয় সু চিকে। সেই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে আনা হয় দুর্নীতি সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি অভিযোগ। রাজধানী নেইপিদোর একটি সামরিক আদালতে সেসব অভিযোগের বিচার চলছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি অভিযোগে তাকে ৩৩ বছরের সাজার ঘোষণাও দিয়েছে নেইপিদোর সামরিক আদালত।

সু চির পক্ষে লড়ার জন্য যদিও আইনজীবীদের অনুমতি দিয়েছে জান্তা, তবে সেই আইনজীবীদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারেন না মিয়ানমারের এই গণতন্ত্রপন্থী নেত্র। ভিডিও কলের মাধ্যমে নিজের আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।

মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থী এই নেত্রীকে কারাগার থেকে মুক্তি দিতে গত দু’বছরে বেশ কয়েকবার জান্তার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বিভিন্ন পশ্চিমা রাষ্ট্র, কিন্তু জান্তা তাতে কর্ণপাত করেনি।

সোমবার সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্ত জানার প্রতিক্রিয়া চেয়ে জান্তা মুখপাত্রদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল রয়টার্স, কিন্তু কোনো মুখপাত্র কথা বলতে রাজি হননি।