NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, মার্চ ৭, ২০২৬ | ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
জাকাত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশে দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী ‘ইরানি হামলার’ জেরে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লিগ ট্রাম্পের হুমকির পরপরই পাল্টা সতর্কবার্তা দিল ইরান ‘রোনালদোর চোট ধারণার চেয়েও গুরুতর’ তৃষার সঙ্গে ম্যাচিং পোশাকে বিয়েবাড়িতে বিজয়, ফের আদালতে স্ত্রী রবিবার থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল বিক্রি যুদ্ধের মধ্যে প্রথম জুমায় খামেনির জন্য ইরানিদের শোক মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে তারেক রহমান ও আমিরাতের প্রেসিডেন্টের ফোনালাপ আকাশসীমা আংশিক চালু, সীমিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে এমিরেটস ইরানে হামলা না করার সিদ্ধান্তে অটল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, ক্ষুব্ধ ট্রাম্প
Logo
logo

কানাডায় বিসিএওসির বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিত


খবর   প্রকাশিত:  ২১ এপ্রিল, ২০২৫, ০৭:১৮ এএম

কানাডায় বিসিএওসির বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিত

কানাডার কেলগেরী শহরে বাংলাদেশ কানাডা এসোসিয়েশন অব কেলগেরী আয়োজিত বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মব্যস্ত জীবনের ফাঁকে গ্রীষ্মের মনোরম আবহাওয়ায় শিশু, কিশোর, তরুণ-তরুণী আর বয়োবৃদ্ধসহ সর্বস্তরের প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে এ যেন ছিল এক আবেগঘন আনন্দ আয়োজন। 

এডঅর্থি পার্কের সবুজ বনায়নে দিনব্যাপী আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিশু, কিশোর, পুরুষ, মহিলাসহ বিভিন্ন ইভেন্টে অংশ গ্রহণের পাশাপাশি কমিউনিটির দলে দলে আড্ডা আর গল্পে মুখরিত হয়ে উঠেছিল সবুজ শ্যামল বনায়নে পরিবেষ্টিত বিশালাকার পিকনিক স্পট। সকালের নাস্তা, মধ্যাহ্নভোজ আর ডিনারের মাধ্যমে দিনব্যাপী আয়োজনে কারো যেন কোন ক্লান্তি ছিল না। 

বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী, অন্যতম কমিউনিটি সংগঠক, খাদ্য ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত ড. রিতা কর্মকার তাঁর আবেগ অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, প্রতি বছর আমি এদিনটির অপেক্ষায় থাকি। সব প্রিয়জনদের এই মিলনমেলায় আমি বাঙালির সমাজ, সংস্কৃতি আর তার গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্যকে খুঁজে পাই।

 

বিসিএওসির সভাপতি কয়েস চৌধুরী বলেন, নতুন প্রজন্মকে আমাদের সংস্কৃতির সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে এটি আমাদের ধারাবাহিক প্রচেষ্টা। বিশাল আয়োজনের এই অনুষ্ঠান সফল করে তোলার জন্য তিনি কমিউনিটির সকল সদস্যদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। 

সাধারণ সম্পাদক শুভ্র দাস বলেন, বিসিএওসি আয়োজিত প্রতিটি অনুষ্ঠানে কেলগেরীর বাংলাদেশী কমিউনিটির অব্যাহত সমর্থন ও সহযোগিতা আমাদের হৃদয়ে এক ভিন্ন রকম আনন্দ ভালোবাসার জন্ম দেয়, তাই এক্সিকিউটিভ কমিটির সকল সদস্য রাত-দিন কাজ করলেও তাদের চোখে মুখে ক্লান্তির কোনো ছাপ নেই।