NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের
Logo
logo

‘নাইজারের জান্তার হাতে জিম্মি ফরাসি রাষ্ট্রদূত’


খবর   প্রকাশিত:  ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০৪:০৩ এএম

‘নাইজারের জান্তার হাতে জিম্মি ফরাসি রাষ্ট্রদূত’

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ জানিয়েছেন, নাইজারে নিযুক্ত ফরাসি রাষ্ট্রদূতকে দূতাবাসের ভেতর জিম্মি করে রেখেছে নাইজারের সামরিক জান্তা। তিনি অভিযোগ করেছেন, দূতাবাসের ভেতর নাইজারের সেনারা কোনো খাবারও নিতে দিচ্ছেন না।

শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) পূর্বাঞ্চলের শহর সেমুর-এন-অক্সিসে সাংবাদিকদের কাছে এমন তথ্য জানান ম্যাক্রোঁ। তিনি বলেন, ‘এ মুহূর্তে, আমাদের রাষ্ট্রদূত এবং কূটনৈতিক কর্মকর্তারা ফ্রান্সের দূতাবাসে কার্যত জিম্মি আছেন। জান্তার সদস্যরা খাবার নিতে দিচ্ছে না।’

ম্যাক্রোঁ জানিয়েছেন, রাষ্ট্রদূত এখন সেনাবাহিনীর জন্য বরাদ্দকৃত রেশনের খাদ্যপণ্য খেয়ে বেঁচে আছেন।

তিনি আরও বলেছেন, ‘রাষ্ট্রদূত বাইরে যেতে পারছেন না। তাকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হয়েছে এবং খাবার দেওয়া হচ্ছে না।’

 

গত ২৬ জুলাই কোনো রক্তপাত ছাড়াই পশ্চিমা ও ফ্রান্সপন্থি নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বাজোমকে ক্ষমতাচ্যুত করে সামরিক জান্তা। এর কয়েকদিন পর ফরাসি রাষ্ট্রদূতকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নাইজার ছাড়ার নির্দেশ দেয় তারা। তবে ম্যাক্রোঁর নির্দেশনায় রাষ্ট্রদূত সালভিন ইত্তে সেই নির্দেশনা মানেননি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে জান্তা তার ভিসা বাতিল করে দেয় এবং পুলিশকে নির্দেশ দেয়

ফ্রান্সের দাবি, তারা জান্তার দেওয়া এ নির্দেশনা মানবে না, কারণ জান্তার এ ধরনের নির্দেশনা দেওয়ার এখতিয়ার নেই। তারা আরও জানিয়েছে, শুধুমাত্র প্রেসিডেন্ট বাজোম এ ধরনের নির্দেশ দিলে তারা রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করে নিয়ে যাবে।

নাইজারে বর্তমানে ফ্রান্সের প্রায় দেড় হাজার সেনা রয়েছে। ক্ষমতা দখলের পর সামরিক জান্তা এসব সেনাকে প্রত্যাহার করে নিয়ে যেতে বলেছে। তবে ফ্রান্স এখনো এ ব্যাপারে কোনো উদ্যোগ নেয়নি।

এদিকে গত সপ্তাহে জান্তার মুখপাত্র কর্নেল আমাদু আব্দররমান এক সংবাদসম্মেলনে দাবি করেন, পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোতে ফ্রান্স যুদ্ধাস্ত্র ও অন্যান্য সরঞ্জাম জড়ো করছে যেন নাইজারের ওপর হামলা চালানো যায়।

নাইজারে সেনা রেখে মূলত পশ্চিম আফ্রিকায় নিজেদের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে চায় সাবেক ঔপনিবেশিক শাসক ফ্রান্স। গত দুই বছরে মালি ও বুরকিনা ফাসোতেও সামরিক বাহিনী অভ্যুত্থান ঘটিয়ে ক্ষমতা দখল করে নেয় এবং ফ্রান্সের সেনাদের বের করে দেয়। এরপর এসব সেনা নাইজারে অবস্থান নেয়। এখন নাইজার থেকেও যদি ফ্রান্সকে নিজেদের সেনা সরিয়ে নিতে হয় তাহলে পশ্চিম আফ্রিকার উপর থেকে তাদের নিয়ন্ত্রণ চলে যাবে।