NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের
Logo
logo

সার্বিক ডাক ব্যবস্থা ডিজিটাইজ করার কাজ চলছে : মোস্তাফা জব্বার


খবর   প্রকাশিত:  ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০৪:৪৮ এএম

সার্বিক ডাক ব্যবস্থা ডিজিটাইজ করার কাজ চলছে : মোস্তাফা জব্বার

ঢাকা: ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ ছিল চিঠিপত্রের যুগ শেষ হওয়ায় দুর্দশাগ্রস্ত ডাক সার্ভিসকে একটি ভালো অবস্থানে নিয়ে যাওয়া। ইতোমধ্যে সেটি অনেকটা পেরেছি। ডাকঘরকে স্মার্ট বাংলাদেশ যুগের উপযোগী করে গড়ে তুলতে সার্বিক ডাক ব্যবস্থা ডিজিটাইজ করার কাজ চলছে। মেইলিং ব্যবস্থা উন্নয়নের মাধ্যমে ইতোমধ্যে ‘হিমায়িত খাবার থেকে শুরু করে রান্না করা খাবারও পৌঁছে দেওয়ার মতো দুরূহ কাজটিও ডাকঘর শুরু করেছে।

ডাকঘর ডিজিটাল কমার্সের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। 

 

সোমবার (৯ অক্টোবর) ঢাকায় জিপিও মিলনায়তনে বিশ্ব ডাক দিবস উপলক্ষে ডাক অধিদপ্তর আয়োজিত আলোচনা সভা এবং পত্র লিখন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব আবু হেনা মোরশেদ জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক তরুন কান্তি সিকদার এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব জিনাত আরা বক্তৃতা করেন।

অনুষ্ঠানে ডাক ব্যবস্থার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গৃহীত যুগান্তকারী বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ডাকঘরকে স্মার্ট বাংলাদেশ যুগের উপযোগী করে গড়ে তুলতে ডিজিটাল সার্ভিস ডিজাইন ল্যাবের (ডিএসডিএল) প্রস্তাবের আলোকে স্মার্ট ডাকঘর প্রতিষ্ঠায় পরিচালিত সমীক্ষার চূড়ান্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ডাক সেবায় ডাকঘরের সমকক্ষ কোনো প্রতিষ্ঠান খুঁজে পাওয়া দুরূহ হবে।

ডিজিটাল প্রযুক্তি বিকাশের এই অগ্রদূত বলেন, দেশব্যাপী ডাকঘরের যে বিশাল অবকাঠামো ও জনবল আছে তা দেশের অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিকনির্দেশনায় করোনাকালে কৃষকের ফল, সবজি পরিবহন থেকে শুরু করে চিকিৎসা সরঞ্জাম পৌঁছে দিতে ডাক সেবার অবদান তুলে ধরেন তিনি।

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে আমাদের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে তাঁর হাতকে শক্তিশালী করতে দেশপ্রেমিক প্রতিটি মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান মন্ত্রী। পত্রলিখন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমাদের নতুন প্রজন্ম অত্যন্ত মেধাবি।

তাদেরকে স্মার্ট বাংলাদেশের উপযোগী মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। তিনি বলেন, তরুণরাই হবে স্মার্ট বাংলাদেশের সৈনিক।

 

ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব বলেন, রানারের যুগ শেষ হয়ে গেলেও চিঠির ঐতিহ্য মানুষ আজও মনে রাখে। ডাকঘরকে ইতিহাস-ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ প্রতিষ্ঠান। প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের বিকল্প নেই।

তিনি ডাক সেবার মানোন্নয়নে সপ্তাহে সাত দিন ২৪ ঘণ্টা সেবার পাশাপাশি গ্রাহকের আস্থা অর্জনে নিরলসভাবে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।