NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুলাই ৯, ২০২৬ | ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের বাংলাদেশের ‘দেলুপি’তে যুক্ত হলেন বলিউডের অনুরাগ কাশ্যপ নিরাপত্তা কৌশল যাতে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়: প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

সালমান–শাবনূরের ‘স্বপ্নের ঠিকানা’র পরিচালক আর নেই


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৫:৫৩ এএম

সালমান–শাবনূরের ‘স্বপ্নের ঠিকানা’র পরিচালক আর নেই

নব্বই দশকের জনপ্রিয় সিনেমা ‘স্বপ্নের ঠিকানা’ পরিচালক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ খালেক মারা গেছেন। গতকাল বুধবার মধ্যরাতে তাঁর মৃত্যু হয়। মাসখানেক আগে ঢাকার মতিঝিলে এক দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিলেন এই পরিচালক। পেছন থেকে একটি রিকশার ধাক্কায় রাস্তায় পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পেয়েছিলেন তিনি।

 

 

দুর্ঘটনার পর কয়েকজন পথচারী তাঁকে ঢাকার মধুবাগের বাসায় পৌঁছে দেন। তাৎক্ষণিকভাবে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে নেন। পরীক্ষা–নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসকেরা জানান, এম এ খালেকের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ ঘটেছে। মাসখানেক ধরে হাসপাতালে চিকিৎসা চলছিল তাঁর।

 
শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় দিন পাঁচ দিন আগে তাঁকে বাসায় আনা হয়। এরপর গতকাল মধ্যরাতে হঠাৎ করে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়। গণমাধ্যমে এমনটাই জানান এম এ খালেকের মেয়ে ফাতেমা তুজ জোহরা।
 

 

সালমান শাহ ও শাবনূর জুটিকে নিয়ে নির্মিত এম এ খালেকের ‘স্বপ্নের ঠিকানা’ সিনেমাটি মুক্তির পর দর্শকমহলে সাড়া ফেলেছিল। ১৯৯৫ সালের ১১ মে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাটি প্রযোজনা করেন নুরুল ইসলাম।

প্রায় দেড় দশক ধরে সিনেমা পরিচালনা থেকে দূরে ছিলেন খালেক। তবে মাঝেমধ্যে এফডিসিতে আসতেন, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতেন। পেশাগত জীবনে পরিচালনার পাশাপাশি দীর্ঘদিন ব্যাংকে চাকরি করেছেন তিনি।

 
জোহরের নামাজের পর মধুবাগে তাঁর জানাজা হয়েছে। বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ খালেককে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদানের পর মিরপুরের বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হবে।