NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুলাই ১১, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পরিকল্পনা শেখ হাসিনার, সহকর্মীদের নিয়ে আত্মসমর্পণের ইচ্ছা পরিবেশ মেলার স্টল ঘুরে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী, উপহার পেলেন শিশুদের আঁকা ছবি আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হচ্ছেন রাবাব ফাতিমা হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে হামলার ষড়যন্ত্র, অভিযুক্ত ৮ উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা, শেষ বিদায় খামেনিকে মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স প্রকাশ্যে দীপিকার বেবি বাম্প Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

হিযবুত তাহরীরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাজ্য


খবর   প্রকাশিত:  ১৬ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৬:০১ পিএম

হিযবুত তাহরীরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাজ্য

হিযবুত তাহরীরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাজ্য। দেশটি বলেছে, হিযবুত তাহরীর ইহুদিবিরোধী এবং একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। উদ্যোগটি পাস হলে যুক্তরাজ্যে হিযবুত তাহরীর ‘সন্ত্রাসী সংগঠনের’ তকমা পাবে। যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তর গত সোমবার (১৫ জানুয়ারি) জানায়, চলতি সপ্তাহে পার্লামেন্টে প্রস্তাবটি নিয়ে বিতর্ক অনুষ্ঠিত হবে।

প্রস্তাবের পক্ষে আইনপ্রণেতারা সায় দিলে যুক্তরাজ্যে সন্ত্রাস আইনের আওতায় হিযবুত তাহরীরের সদস্য হওয়া বেআইনি হয়ে যাবে।

 

স্বরাষ্ট্রসচিব জেমস ক্লিভারলি বলেছেন, ‘হিযবুত তাহরীর একটি ইহুদিবিরোধী সংগঠন, যেটি সন্ত্রাসবাদকে উৎসাহিত করে। এর মধ্যে আছে, ৭ অক্টোবরের ভয়াবহ হামলার প্রশংসা করা এবং উদযাপন করা।’ হিযবুত তাহরীর ৭ অক্টোবরের দক্ষিণ ইসরায়েলে হামাসের হামলার উদযাপন এবং এর ওয়েবসাইটে হামাস সদস্যদের হিরো হিসেবে বর্ণনা করে সন্ত্রাসবাদকে প্রচার এবং উৎসাহিত করেছে বলে তিনি জানান।

সংস্থাটির ইহুদিদের ওপর আক্রমণের প্রশংসা ও উদযাপন করে ইতিহাস করেছে বলেও জানান। 

 

হামাসের আক্রমণ এবং গাজায় পরবর্তী যুদ্ধের পরপরই দলটি মুসলিম দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছিল, ‘তোমাদের সেনাবাহিনী নিয়ে যাও এবং ইহুদিবাদী দখলদারদের অপসারণ করো।’ সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার এবং ডেভিড ক্যামেরন ক্ষমতায় থাকাকালীন এই গোষ্ঠীকে নিষিদ্ধ করার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু উভয়েই পরিকল্পনা বাদ দিয়েছিলেন।

১৯৫৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই গোষ্ঠীটি লেবাননে সদর দপ্তর, ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়াসহ ৩২টি দেশে কাজ করে। ইসলামিক আইনের অধীনে শাসিত খিলাফত প্রতিষ্ঠার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য রয়েছে তাদের। 

 

বাংলাদেশ, মিসর, জার্মানিসহ বেশ কয়েকটি দেশে ইতিমধ্যেই গোষ্ঠীটি নিষিদ্ধ। যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের মতে, যদি পার্লামেন্টে বিলটি পাস হয়, তবে গোষ্ঠীটিকে আল-কায়েদা, আইএসআইএলসহ (আইএসআইএস) অন্যান্য মনোনীত গোষ্ঠীর মতোই শুক্রবার (১৯ জানুয়ারি) থেকেই নিষিদ্ধ হবে। এই আইনের অধীনে কেউ গোষ্ঠীটিকে সমর্থন করলে ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং সম্পদ বাজেয়াপ্ত হতে পারে।

 

 

লেবার পার্টির স্বরাষ্ট্রসচিব ইভেট কুপার এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই এবং সমর্থন করি।’ তিনি আরো বলেন, ‘যারা সহিংসতা উসকে দেয় এবং সন্ত্রাসবাদের প্রচার করে তাদের যুক্তরাজ্যের রাস্তায় কোনো স্থান নেই এবং তাদের অবশ্যই আইনের মুখোমুখি হতে হবে।’