NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুলাই ১১, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পরিকল্পনা শেখ হাসিনার, সহকর্মীদের নিয়ে আত্মসমর্পণের ইচ্ছা পরিবেশ মেলার স্টল ঘুরে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী, উপহার পেলেন শিশুদের আঁকা ছবি আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হচ্ছেন রাবাব ফাতিমা হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে হামলার ষড়যন্ত্র, অভিযুক্ত ৮ উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা, শেষ বিদায় খামেনিকে মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স প্রকাশ্যে দীপিকার বেবি বাম্প Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

ইরাক ও সিরিয়ায় ইরান সংশ্লিষ্ট ৮৫ লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা


খবর   প্রকাশিত:  ০৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪, ০৮:০৬ এএম

ইরাক ও সিরিয়ায় ইরান সংশ্লিষ্ট ৮৫ লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

ইরাকে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন হামলায় তিন সেনা নিহত হওয়ার জবাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়া ও ইরাকে হামলা চালিয়েছে। ইরাক ও সিরিয়ায় ইরানের বিপ্লবী গার্ড সমর্থিত ৮৫টির বেশি লক্ষ্যবস্তুতে এই বিমান হামলা শুরু করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। ড্রোন হামলার প্রতিশোধ নিতে শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) অভিযান শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

মার্কিন সেন্টকম বলেছে, তাদের বাহিনী ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্প কুদস ফোর্স এবং অনুমোদিত মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে এই বিমান হামলা চালিয়েছে।

বাইডেন এবং পেন্টাগনের নেতারা যুক্তরাষ্ট্রের ডোভার এয়ারফোর্স বেসে নিহত তিন মার্কিন সেনার আনুষ্ঠানিক প্রত্যাবর্তনের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কয়েক ঘন্টা পরেই প্রতিশোধমূলক হামলা শুরু হয়। 

 

শুক্রবার এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন, ‘আমাদের জবাব আজ থেকে শুরু হয়েছে। আক্রমণ আমাদের নির্ধারিত সময়ে এবং জায়গায় চলতে থাকবে।’ গতকাল শুক্রবারের হামলায় মার্কিন সেনাবাহিনী বি-১ বোমারু বিমান নামে পরিচিত দূরপাল্লার সামরিক বিমান ব্যবহার করেছে।

বিমানটি সরাসরি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড়েছিল বলে জানা গেছে। ইরাক ও সিরিয়ায় হামলায় ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোনও ব্যবহার করা হয়েছে। মোটা সাতটি স্থানে আঘাত হেনেছে যুক্তরাষ্ট্র। চারটি সিরিয়ায় এবং তিনটি ইরাকে।
চারটি স্থানে মোটা ৮৫ টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়। কর্মকর্তাদের মতে, কমান্ড ও কন্ট্রোল অপারেশন সেন্টার, গোয়েন্দা কেন্দ্র, রকেট, ক্ষেপণাস্ত্র এবং অস্ত্র সরবরাহের স্থান অন্তর্ভুক্ত ছিল। 

 

গত রবিবার ( ২৮ জিানুয়ারি) সিরিয়া-জর্দান সীমান্তের কাছে একটি মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন হামলায় তিন মার্কিন সেনা নিহত এবং প্রায় ৪০ জন আহত হয়। টাওয়ার ২২ নামক মার্কিন ঘাঁটিতে এই ড্রোন হামলা হয়েছে।  খুব কমই পরিচিত এই ঘাঁটিতে মার্কিন সেনাবাহিনী ও বিমান বাহিনীর ৩৫০ জন সেনা রয়েছে।

ঘাঁটিটি নিয়মিতভাবে সামরিক রসদের যোগান দেয় তাই এটি গুরুত্বপূর্ণ। টাওয়ার ২২ সিরিয়ার সীমান্তের ওপারে ‘আল তানফ’ গ্যারিসনের কাছে অবস্থিত। এখানে অল্প কিছু মার্কিন সেনাও রয়েছেন। 

 

তানফ ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এবং পূর্ব সিরিয়ায় ইরানের সামরিক গঠনকে নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য মার্কিন কৌশলের অংশ হিসেবে ভূমিকা রাখছে। যে কোনো প্রয়োজনে ‘টাওয়ার ২২’ থেকে সাহায্য দেওয়া যায় তানফে থাকা মার্কিন সেনাদের। এ ছাড়া এলাকায় ইরান সমর্থিত মিলিশিয়া বাহিনীগুলোর প্রতিরোধ এবং আইএসের ওপরও নজর রাখছে তনফ। তবে ‘টাওয়ার ২২’ কী কারণে হামলার শিকার হলো বা কী ধরনের অস্ত্র বা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেখানে আছে তা স্পষ্ট নয়। 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, ‘কট্টর ইরান-সমর্থিত জঙ্গি গোষ্ঠী’ এই হামলা চালিয়েছে। তিনি আরো বলেছিলেন, ‘আমরা এর জবাব দিব।’ ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর এই প্রথম কোনো হামলায় ওই অঞ্চলে মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে। এর আগে, বাইডেন  এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘জিল এবং আমি নিহতদের পরিবার, ববন্ধু এবং সারা দেশজুড়ে আমেরিকানদের সঙ্গে আছি। এই ঘৃণ্য এবং অন্যায় হামলায় যোদ্ধাদের হারানোয় আমরা শোকহত।’ দক্ষিণ ক্যারোলিনা সফরকালে বাইডেন বলেছিলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের একটি কঠিন দিন ছিল। আমরা তিনজন সাহসী যোদ্ধাকে হারিয়েছি।’ ১৭ অক্টোবর থেকে ইরাক এবং সিরিয়ায় মার্কিন ঘাঁটিতে কমপক্ষে ৯৭ বার হামলা হয়েছে।