NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুলাই ১১, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পরিকল্পনা শেখ হাসিনার, সহকর্মীদের নিয়ে আত্মসমর্পণের ইচ্ছা পরিবেশ মেলার স্টল ঘুরে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী, উপহার পেলেন শিশুদের আঁকা ছবি আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হচ্ছেন রাবাব ফাতিমা হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে হামলার ষড়যন্ত্র, অভিযুক্ত ৮ উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা, শেষ বিদায় খামেনিকে মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স প্রকাশ্যে দীপিকার বেবি বাম্প Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

অপহরণের নাটক সাজিয়ে বাবার কাছে ৩০ লাখ রুপি মুক্তিপণ দাবি


খবর   প্রকাশিত:  ২২ মার্চ, ২০২৪, ০২:৫৮ এএম

অপহরণের নাটক সাজিয়ে বাবার কাছে ৩০ লাখ রুপি মুক্তিপণ দাবি

মেয়ের হাত-পা বাঁধা ছবি পাঠানো হয় বাবার কাছে। অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে ৩০ লাখ রুপি। উপায় না দেখে পুলিশের কাছে ছুটে যান বাবা। কিন্তু পুলিশ তদন্ত শুরু করলে সামনে আসে অন্য এক কাহিনি।

মেয়ে নিজেই নিজেকে অপহরণের নাটক সাজিয়েছিলেন। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের মধ্য প্রদেশে।

 

পুলিশের কাছে বাবা অভিযোগ দায়ের করার সময় বলেন, তিনি তাঁর মেয়ের হাত-পা বাঁধা ছবি পেয়েছেন। তাঁর মেয়ে রাজস্থানের কোটায় একটি কোচিং ইনস্টিটিউটে ভর্তি হয়েছিলেন।

ওই তরুণীর বাবা অভিযোগে আরো বলেন, তাঁর মেয়েকে অপহরণ করা হয়েছে এবং মুক্তিপণ হিসেবে ৩০ লাখ রুপি দাবি করা হয়েছে। কোটা পুলিশ পরে জানায়, ওই মেয়েকে কেউ অপহরণ করেনি বলে প্রাথমিক তদন্ত থেকে জানা যায়। ২১ বছরের ওই তরুণী তাঁর অপহরণের মিথ্যা ঘটনা সাজিয়েছিলেন।

 

কোটার পুলিশ সুপার অমৃতা দুহান বলেছেন, ‘এখন পর্যন্ত তদন্তে যে প্রমাণ পাওয়া গেছে তাতে দেখা যাচ্ছে, মেয়েটির বিরুদ্ধে কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়নি এবং কোনো অপহরণের ঘটনাও ঘটেনি।

এখন পর্যন্ত অপহরণের ঘটনাটি আসলে মিথ্যা বলে মনে হচ্ছে।’

 

তিনি আরো বলেন, গত ১৮ মার্চ মধ্য প্রদেশের শিবপুরীতে মেয়েটির বাবার কাছে অভিযোগ দায়ের করার বিষয়ে তথ্য পেয়ে তাঁরা তদন্তে নামেন। তখন তাঁরা জানতে পারেন, ওই তরুণী তাঁর দুই বন্ধুর সঙ্গে ইন্দোরে বসবাস করতেন। মা-বাবা অন্য জায়গায় বসবাস করতেন। পুলিশ ওই তরণীর এক বন্ধুকে খুঁজে বের করে।

সেই বন্ধু পুলিশকে জানান, ওই তরুণী এবং তাঁর অন্য বন্ধু বিদেশে যেতে চান। বিদেশে পড়াশোনা করার জন্য তাঁর অর্থ দরকার ছিল। 

 

ছয়-সাত মাস ধরে কোটায় ওই তরণীর অবস্থান জানা যায়নি। শহরের কোনো কোচিং ইনস্টিটিউট বা হোস্টেলে ভর্তিও হননি তিনি। কিন্তু মেয়েটির মা তাঁকে গত বছরের ৩ আগস্ট একটি কোচিং ইনস্টিটিউটে ভর্তি করান এবং তিনি ৫ আগস্ট পর্যন্ত সেখানে ছিলেন। এরপর ওই তরুণী মধ্য প্রদেশের ইন্দোরে যান বলে পুলিশ জানিয়েছে। কোচিং ইনস্টিটিউটে নিয়মিত যাচ্ছেন, তা বিশ্বাস করানোর জন্য ভিন্ন নম্বর থেকে মা-বাবার ফোনে পরীক্ষার নম্বর পাঠাতেন তিনি। এর মধ্যেই তিনি তাঁর অপহরণের নাটক সাজান। বন্ধুরা তাঁকে এই নাটক সাজাতে সাহায্য করেছিলেন।