NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুলাই ১১, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পরিকল্পনা শেখ হাসিনার, সহকর্মীদের নিয়ে আত্মসমর্পণের ইচ্ছা পরিবেশ মেলার স্টল ঘুরে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী, উপহার পেলেন শিশুদের আঁকা ছবি আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হচ্ছেন রাবাব ফাতিমা হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে হামলার ষড়যন্ত্র, অভিযুক্ত ৮ উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা, শেষ বিদায় খামেনিকে মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স প্রকাশ্যে দীপিকার বেবি বাম্প Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

ফ্লোরিডায় নাবালকদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নিয়ে আইন


খবর   প্রকাশিত:  ২৭ মার্চ, ২০২৪, ০২:০৯ এএম

ফ্লোরিডায় নাবালকদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নিয়ে আইন

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ে কিছু দিন ধরেই নানা পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে। সম্প্রতি বাইডেন সরকার সেখানে টিকটক বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এখনো বিতর্ক চলছে। তারই মধ্যে ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের গভর্নর রন ডিস্যানটিস সোমবার জানিয়ে দিলেন, নাবালকরা যাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আর ব্যবহার করতে না পারে, তা নিয়ে একটি আইনে তিনি সই করেছেন।

২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এই আইন কার্যকর হবে। ১৩ বছর না হলে আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খোলা যাবে না সেখানে।

 

আইনে বলা হয়েছে, ১৩ বছর বয়স পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করা যাবে না। ১৪ ও ১৫ বছরের বালক-বালিকারা অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে পারবে, কিন্তু তার জন্য মা-বাবার অনুমতি নিতে হবে।

 

ফ্লোরিডার স্থানীয় সরকার জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এই যুগে এই আইন মা-বাবাকে বাচ্চা বড় করতে সাহায্য করবে।

অনেক দিন ধরেই ফ্লোরিডায় এই বিলটি নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে। রাজ্যের স্পিকার পল রেনার চেয়েছিলেন, ১৬ বছরের নিচে কোনো নাবালক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করতে পারবে না। সেই প্রস্তাব খারিজ হলেও তার কাছাকাছি একটি প্রস্তাব শেষ পর্যন্ত আইনের চেহারা পেয়েছে।

 

এদিন রেনার বলেছেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ভরে আছে শিশুকামী ও পাচারকারীতে। তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ব্যবহার করে নাবালকদের উত্তেজিত করে এবং অন্ধকার জগতের দিকে টেনে নিয়ে যায়।’ শুধু তা-ই নয়, তাঁর মতে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বাড়ন্ত শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। এটা এক ধরনের নেশা তৈরি করে, যা বাচ্চাদের সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করে।

এই বিলটি নিয়ে বিতর্কের সময় দুটি বিষয় সামনে এসেছিল।

একদিকে শিশু-সুরক্ষা, অন্যদিকে বাকস্বাধীনতা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের অধিকার এভাবে ছিনিয়ে নেওয়া যায় কি না, তা নিয়ে অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বলা হয়েছে, শিশুর মানসিক স্বাস্থ্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তা-ই তাকেই সবার আগে গুরুত্ব দিতে হবে।