NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
পরিবেশ মেলার স্টল ঘুরে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী, উপহার পেলেন শিশুদের আঁকা ছবি আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হচ্ছেন রাবাব ফাতিমা হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে হামলার ষড়যন্ত্র, অভিযুক্ত ৮ উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা, শেষ বিদায় খামেনিকে মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স প্রকাশ্যে দীপিকার বেবি বাম্প Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের
Logo
logo

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুভেচ্ছা দূত উসাইন বোল্ট


খবর   প্রকাশিত:  ২৫ এপ্রিল, ২০২৪, ০৯:২৩ এএম

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শুভেচ্ছা দূত উসাইন বোল্ট

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এই বিশ্ব আসরের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে গতি মানব উসাইন বোল্টকে শুভেচ্ছা দূত হিসেবে ঘোষণা করেছে আইসিসি।

জ্যামাইকার স্প্রিন্টার হিসেবেই বিশ্বখ্যাত বোল্ট। এখনও তিনি বিশ্বের দ্রুততম মানুষ। অ্যাথলেট হিসাবে পরিচিত হলেও ক্রিকেটের প্রতি বোল্টের ভালবাসা ছোটবেলা থেকেই। স্প্রিন্টার না হলে হয়তো ক্রিকেটারই হতেন তিনি।

 

তবে এবার ক্রিকেটের সঙ্গেই যুক্ত থাকার দারুণ একটি উপলক্ষ পেয়ে গেলেন তিনি। আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অ্যাম্বাসেডর হলেন উসাইন বোল্ট। বুধবার আইসিসি আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বের দ্রুততম মানুষের নাম ঘোষণা করে।

একসময় পাকিস্তানের ওয়াকার ইউনুসকে নিজের অধিনায়ক নির্বাচিত করেছিলেন। এরপর এক সময় হয়ে ওঠেন ব্রায়ান লারার দারুণ এক ভক্ত। সর্বশেষ আরেক ক্যারিবীয় কিংবদন্তি ক্রিস গেইল হয়ে ওঠেন উসাইন বোল্টের বন্ধু। তাকেই ক্রিকেটের দূত হিসেবে বেছে নিলো আইসিসি।

 

আগামী ১ জুন থেকে শুরু হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। চলবে ২৯ জুন পর্যন্ত। ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে আয়োজন করবে এই বিশ্বকাপ। যুক্তরাষ্ট্রবাসির কাছে ক্রিকেটকে তুলে ধরতেই ২০১৬ রিও অলিম্পিকে তিনটি সোনাজয়ী অ্যাথলেটকে দূত হিসাবে বেছে নেয় আইসিসি।

 

বোল্ট নিজেও বিশ্বাস করেন, এবারের বিশ্বকাপের মধ্য দিয়ে মার্কিনীদের মধ্যে ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসা তৈরি করা সম্ভব হবে। তাহলে এই দেশটিও ক্রিকেটে দ্রুত উঠে আসবে।

 

শুভেচ্ছা দূত হওয়ার পর বোল্ট বলেন, ‘আমি রোমাঞ্চিত এমন একটি বিশ্বকাপের শুভেচ্ছা দূত হতে পেরে। ক্যারিবিয়ান থেকে এসেছি, যেখানে ক্রিকেট জীবনেরই একটি অংশ। এই খেলাটি সব সময়ই আমার হৃদয়ের একটি বিশেষ জায়গা দখল করে রাখে। এ ধরনের প্রেস্টিজিয়াস টুর্নামেন্টের অংশ হতে পেরে নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি।’