NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬ | ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউইয়র্ক সফর শেষে দেশে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানে আত্মঘাতী বোমা হামলার পর অ্যাম্বুলেন্সে গুলি, নিহত ১২ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই : ইরান এশিয়ান গেমসে চালকের আসনে চীন, কোন দেশের কত পদক বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে সাইডলাইন বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী ইরানের ৭ দিনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন ট্রাম্প নেইমারের ১০ নম্বর জার্সি এখন রাফিনিয়ার দুবাইয়ে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে গান গাইবেন কেটি পেরি জাতিসংঘে দূরদর্শী ভাষণের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের পোস্ট
Logo
logo

সোনা জিতে মহিষ উপহার পেলেন আরশাদ


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ আগস্ট, ২০২৪, ০৪:২৩ পিএম

সোনা জিতে মহিষ উপহার পেলেন আরশাদ

প্যারিস অলিম্পিকে দেশকে সোনা এনে দিয়ে এখন পাকিস্তানের জাতীয় হিরো আরশাদ নাদিম। গতকাল দেশে ফেরার পর তাকে নিয়ে বাঁধনহারা উচ্ছ্বাস করেছেন ভক্ত-সমর্থকরা। সোনা এনে দেওয়ার পুরস্কার হিসেবে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন জায়গা থেকে নগদ অর্থমূল্য, গাড়িসহ আরো অনেক গিফট পাচ্ছেন তিনি।

এমনকি দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য পাকিস্তানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার ‘হিলাল-ই-ইমতিয়াজ’ পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি।

তবে আনুষ্ঠানিকভাবে পাকিস্তানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পুরস্কার পাওয়ার আগে ব্যতিক্রম এক গিফট পেয়েছেন পাকিস্তানকে প্রথমবারের মতো ব্যক্তিগত ইভেন্টে স্বর্ণ এনে দেওয়া আরশাদ।

 

পুরস্কার হিসেবে মহিষ উপহার পেয়েছেন সোনাজয়ী আরশাদ। অলিম্পিকের রেকর্ড ৯২.৯৭ মিটার বর্শা নিক্ষেপকারী অ্যাথলেটকে পুরস্কারটি দিয়েছেন তার শ্বশুর মুহাম্মদ নওয়াজ। গ্রামের ঐতিহ্য মেনে অত্যন্ত মর্যাদা ও সম্মানের প্রতীক হিসেবে মহিষ উপহার দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নওয়াজ।

 

মহিষ দেওয়ার বিষয়ে সংবাদমাধ্যমকে নওয়াজ বলেছেন, ‘গ্রামের ঐতিহ্য অনুযায়ী মহিষ উপহার দেওয়া আমাদের এখানে অত্যন্ত মূল্যবান ও সম্মানের। নাদিম সাফল্য পেয়েও গ্রামকে ভুলে যায়নি। তার বাড়ি এখনো গ্রামেই। মা-বাবা ও ভাইয়েদের সঙ্গে এখনো সে গ্রামে থাকে।

’

 

আর্থিকভাবে অসচ্ছল হলেও শৈশব থেকেই আরশাদ খেলার প্রতি খুবই প্যাশোনেট ছিলেন বলে জানিয়েছেন নওয়াজ। আরশাদের শ্বশুর বলেছেন, ‘ছয় বছর আগে যখন সে আমার মেয়েকে বিয়ে করতে রাজি হয়েছিল তখন সে ছোট একটা জব করত। তবে নিজের খেলার বিষয়ে খুবই প্যাশোনেট ছিল। বাড়ির পাশে এবং মাঠে প্রতিনিয়ত জ্যাভলিন অনুশীলন করত।’