NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
পরিবেশ মেলার স্টল ঘুরে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী, উপহার পেলেন শিশুদের আঁকা ছবি আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হচ্ছেন রাবাব ফাতিমা হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে হামলার ষড়যন্ত্র, অভিযুক্ত ৮ উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা, শেষ বিদায় খামেনিকে মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স প্রকাশ্যে দীপিকার বেবি বাম্প Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের
Logo
logo

বিচারবিভাগীয় সংস্কারের প্রতিবাদে মেক্সিকোয় প্রবল বিক্ষোভ


খবর   প্রকাশিত:  ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ১২:১০ পিএম

বিচারবিভাগীয় সংস্কারের প্রতিবাদে মেক্সিকোয় প্রবল বিক্ষোভ

প্রস্তাবিত বিচারবিভাগীয় সংস্কারের প্রতিবাদে মেক্সিকোতে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখালেন হাজার হাজার মানুষ। এই সংস্কারের ফলে বিচারকদেরও জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে হবে। সমালোচকদের মতে, এই ব্যবস্থা চালু হলে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার সঙ্গে সমঝোতা করা হতে পারে। এর ফলে আমেরিকার সঙ্গে মেক্সিকোর সম্পর্ক খারাপ হয়েছে।

বিদেশি বিনিয়োগ ধাক্কা খেয়েছে।

 

বিচার বিভাগের এই সংস্কার বিদায়ি প্রেসিডেন্ট আন্দ্রে ম্যানুয়েল লোপেজ ওব্রাডোর প্রস্তাব করেছিলেন এবং পরবর্তী প্রেসিডেন্ট যিনি হবেন, সেই ক্লাউদিয়া শেইনবামও তা সমর্থন করেছেন। বর্তমানে বিচারক ও ম্যাজিস্ট্রেটদের ফেডারেল জুডিশিয়াল কাউন্সিল নিয়োগ করে। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের প্রেসিডেন্ট মনোনীত করেন এবং সিনেট তা অনুমোদন করে।

 

কিন্তু যদি এই সংস্কার চালু হয়, তাহলে সাত হাজার বিচারক ও ম্যাজিস্ট্রেট মানুষের ভোটে নির্বাচিত হবেন। কারা প্রার্থী হবেন সেই প্রস্তাব সরকারি প্রশাসন, আইনসভা ও বিচার বিভাগ করবে। প্রস্তাবে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির সংখ্যা ১১ থেকে কমিয়ে ৯ করা হয়েছে। তাদের কাজের মেয়াদও ১৫ বছর থেকে কমিয়ে ১২ বছর করা হয়েছে।

এ ছাড়া বিচারকদের তত্ত্বাবধানের জন্য নতুন সংস্থা তৈরি করার কথা বলা হয়েছে।

 

এই সংস্কারের পক্ষে যারা আছেন, তাদের মত হলো, মেক্সিকোতে উচ্চ পর্যায়ের সহিংস অপরাধ থেকে মুক্তি পেতে গেলে এই সংস্কার জরুরি। বিদায়ি প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ‘বর্তমানে বিচার বিভাগ মানুষকে পরিষেবা দিতে পারছে না। তারা সংগঠিত অপরাধীদের স্বার্থ দেখছে।’

কিন্তু বিরোধীদের দাবি, এই ব্যবস্থা চালু করলে পুরো বিচার বিভাগের রাজনৈতিকীকরণ হবে।

বিচার বিভাগীয় কর্মীদের ইউনিয়ন বলেছে, এর ফলে শ্রম অধিকার সংকুচিত হবে। তাদের মতে, বিচারকরা নির্বাচিত হলে, তারা বিশেষ স্বার্থ দেখবেন।  অপরাধী গোষ্ঠীগুলো বিচারকদের কুক্ষিগত করে ফেলবে। এর বিরোধিতা করে বিচার বিভাগীয় কর্মীরা ধর্মঘটে নেমেছেন।

 

এর ফলে আমেরিকা ও কানাডার সঙ্গে মেক্সিকোর সম্পর্ক খারাপ হচ্ছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও ক্ষুব্ধ। মেক্সিকোর মার্কিন রাষ্ট্রদূত কেন সালাজার বলেছেন, এর ফলে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে মেক্সিকোর বাণিজ্যিক সম্পর্ক খারাপ হবে।  কারণ, বিনিয়োগকারীদের বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে আস্থা থাকাটা জরুরি।

এর প্রতিক্রিয়ায় মেক্সিকো সরকার বলেছে, আমেরিকা ও কানাডা তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে চাইছে। তারা এই দুই দেশের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে সাময়িক বিরতি চায়। মেক্সিকোর পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে মঙ্গলবার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হতে পারে।