NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
পরিবেশ মেলার স্টল ঘুরে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী, উপহার পেলেন শিশুদের আঁকা ছবি আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হচ্ছেন রাবাব ফাতিমা হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে হামলার ষড়যন্ত্র, অভিযুক্ত ৮ উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা, শেষ বিদায় খামেনিকে মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স প্রকাশ্যে দীপিকার বেবি বাম্প Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের
Logo
logo

ব্রিকসে যোগ দিতে ন্যাটোর সদস্য তুরস্কের অনুরোধ


খবর   প্রকাশিত:  ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ০৮:০৬ এএম

ব্রিকসে যোগ দিতে ন্যাটোর সদস্য তুরস্কের অনুরোধ

তুরস্ক প্রধান উদীয়মান বাজারের দেশগুলোর গোষ্ঠী ব্রিকসে যোগদানের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জমা দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ানের ক্ষমতাসীন দলের মুখপাত্র মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছেন।

ক্ষমতাসীন জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির (একেপি) মুখপাত্র ওমের সেলিক বলেছেন, ‘আমাদের প্রেসিডেন্ট বহুবার বলেছেন, আমরা ব্রিকসের সদস্য হতে চাই। এখন এই প্রক্রিয়া চলছে।

 

যদি এ অনুরোধ গৃহীত হয়, তবে তুরস্ক প্রথম ন্যাটো সদস্য দেশ হিসেবে এই গোষ্ঠীতে যোগদান করবে। আংকারা নিজেদের পশ্চিমা নেতৃত্বাধীন বৈশ্বিক ব্যবস্থার প্রতিকূল হিসেবে দেখে থাকে।একবিংশ শতাব্দীর প্রথম দশকের গোড়ার দিকে ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত ও চীনের সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে ব্রিক শব্দটি ব্যবহার শুরু হয়। পরে ২০০৯ সালে এই চারটি দেশ মিলে একটি আন্তর্জাতিক ফোরাম গঠন করে, যা ব্রিক নামে পরিচিত হয়।

এর এক বছর পর দক্ষিণ আফ্রিকা যোগ দিলে ব্রিকস তৈরি হয়। সর্বশেষ এই বছরের শুরুতে সৌদি আরব, আর্জেন্টিনা, মিসর, ইথিওপিয়া, ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত গোষ্ঠীটিতে যোগ দেয়।

 

২০১৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনে তুরস্ক অংশগ্রহণ করেছিল। সেলিক এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আমাদের প্রেসিডেন্ট স্পষ্টভাবে বলেছেন, তুরস্ক ব্রিকসসহ সব গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফরমে অংশ নিতে চায়।

 

এর আগে এরদোয়ান শনিবার বলেছিলেন, ‘তুরস্ক একটি শক্তিশালী দেশ হয়ে উঠতে পারে, সমৃদ্ধ ও সম্মানিত হতে পারে, যদি এটি পূর্ব ও পশ্চিমের সঙ্গে সম্পর্ক একযোগে উন্নত করে।’ এ ছাড়া গত জুন মাসে তিনি বলেছিলেন, ব্রিকসের সদস্যপদকে অন্যান্য গোষ্ঠীর সদস্যতার বিকল্প হিসেবে তিনি দেখেন না এবং তার দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগদানের প্রার্থী হিসেবে রয়েছে। সদস্যপদ নিয়ে ২০০৫ সালে আলোচনাও শুরু হয়। কিন্তু ২০১৬ সালের ব্যর্থ অভ্যুত্থানের কারণে বিরোধী দলগুলোর ওপর দমন-পীড়নের পর থেকে কোনো আলোচনায় কোনো অগ্রগতি হয়নি। পাশাপাশি ইউক্রেনে আক্রমণের পরও রাশিয়ার সঙ্গে তুরস্ক ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছে।