NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
পরিবেশ মেলার স্টল ঘুরে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী, উপহার পেলেন শিশুদের আঁকা ছবি আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হচ্ছেন রাবাব ফাতিমা হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে হামলার ষড়যন্ত্র, অভিযুক্ত ৮ উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা, শেষ বিদায় খামেনিকে মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স প্রকাশ্যে দীপিকার বেবি বাম্প Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের
Logo
logo

নেতানিয়াহুর দুই মানচিত্রের কোথাও নেই ফিলিস্তিন


খবর   প্রকাশিত:  ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ১০:২৬ পিএম

নেতানিয়াহুর দুই মানচিত্রের কোথাও নেই ফিলিস্তিন

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার সময় দুটি মানচিত্র দেখিয়েছেন। শুক্রবারের ওই ভাষণে দেখানো দুটো মানচিত্রের কোথাও ছিল না ফিলিস্তিন। 

এনডিটিভি জানায়, একটি মানচিত্রে সবুজ রঙ দিয়ে কিছু দেশকে ‘আশীর্বাদ’ এবং আরেকটি মানচিত্রে কিছু দেশকে কালো রঙ দিয়ে চিহ্নিত করে ‘অভিশাপ’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়। দুই মানচিত্রে যে বিষয়টি সবচেয়ে স্পষ্ট ছিল, তা হল ফিলিস্তিনকে সম্পূর্ণ মুছে ফেলা।

নেতানিয়াহুর ডান হাতে থাকা মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্রে কালো রং দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে ইরান, ইরাক, সিরিয়া ও ইয়েমেনকে। এই দেশগুলোকে অভিশপ্ত আখ্যা দেন তিনি। অর্থাৎ এসব দেশ ইসরায়েলের জন্য হুমকি। অন্যদিকে বাঁ হাতে থাকা মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্রে সবুজ রং দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে মিসর, সুদান, সৌদি আরব ও ভারতকে।
এসব দেশকে আশীর্বাদ হিসেবে বর্ণনা করেন তিনি। অর্থাৎ এই দেশগুলো ইসরায়েলের জন্য হুমকি নয়। তবে উভয় মানচিত্রের মধ্যে সবচেয়ে স্পষ্ট ছিল ফিলিস্তিনের অনুপস্থিতি। সবুজ বা কালো কোনো মানচিত্রেই ফিলিস্তিনের অস্তিত্বের কোনো উল্লেখ ছিল না।

 

অধিবেশনে অভিশপ্ত দেশগুলো এবং ইরানের প্রভাবের সঙ্গে সরাসরি যোগসূত্র স্থাপন করেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের জন্য ইরান ও এর মিত্ররা দায়ী। অন্যদিকে সবুজ রঙে চিহ্নিত দেশগুলো ইসরায়েলের মিত্র বা সম্ভাব্য মিত্র। এসব দেশের কোনোটির সঙ্গে ইসরায়েলের স্বাভাবিক সম্পর্ক রয়েছে, আবার কোনোটি সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়ায় আছে।

জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণে লেবানন, সিরিয়া ও ইয়েমেনে অব্যাহত সহিংসতার জন্য ইরানকে দায়ী করেন নেতানিয়াহু।

লেবাননের হিজবুল্লাহ, গাজার হামাস এবং ইয়েমেনের হুতিদের ইরানের আর্থিক ও সামরিক সহায়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ইরান সমর্থিত যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে একাধিক ফ্রন্টে নিজেকে রক্ষা করে চলেছে।

 

ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে নেতানিয়াহু বলেন, আপনারা যদি আমাদের আক্রমণ করেন, তাহলে আমরাও আপনাদের আক্রমণ করব।

প্রয়োজনে ইসরায়েলের প্রতিরোধ পুরো মধ্যপ্রাচ্যে প্রসারিত হতে পারে। নেতানিয়াহু ভাষণ দেওয়ার সময় কয়েক শ কূটনীতিক প্রতিবাদ জানিয়ে বাইরে চলে যান। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশেষ করে লেবানন ও গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান ইরানের আগ্রাসনের জবাব। যত দিন হিজবুল্লাহ যুদ্ধের পথ বেছে নেবে, তত দিন ইসরায়েলের এই হুমকি দূর করা ছাড়া কোনো উপায় নেই।