NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
পরিবেশ মেলার স্টল ঘুরে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী, উপহার পেলেন শিশুদের আঁকা ছবি আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হচ্ছেন রাবাব ফাতিমা হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে হামলার ষড়যন্ত্র, অভিযুক্ত ৮ উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা, শেষ বিদায় খামেনিকে মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স প্রকাশ্যে দীপিকার বেবি বাম্প Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের
Logo
logo

ইসরায়েলি হামলায় স্ত্রী-সন্তানসহ হামাসের কমান্ডার নিহত


খবর   প্রকাশিত:  ০৬ অক্টোবর, ২০২৪, ১২:৩৫ এএম

ইসরায়েলি হামলায় স্ত্রী-সন্তানসহ হামাসের কমান্ডার নিহত

ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস জানিয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় শনিবার লেবাননের উত্তরাঞ্চলের একটি শরণার্থী শিবিরে তাদের এক কমান্ডার নিহত হয়েছেন। গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এই প্রথম ওই এলাকায় হামলা হলো।

হামাস বলেছে, ‘কমান্ডার’ সাঈদ আতাল্লাহ আলী, তার স্ত্রী ও দুই মেয়ে ইসরায়েলি বোমা হামলায় নিহত হয়েছে। বেদ্দাওই শিবিরে তার বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছিল, যা ত্রিপোলির নিকটে অবস্থিত।

 

গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েল লেবাননে হামাসের সদস্যদের লক্ষ্য করে বারবার হামলা চালিয়েছে। হামাস জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত লেবাননে তাদের অন্তত ১৮ জন যোদ্ধা নিহত হয়েছেন।

 

এর আগে সোমবার এক বিমান হামলায় ফাতাহ শারিফ আবু আল-আমিন নামের লেবাননভিত্তিক এক হামাস নেতাকে দক্ষিণ লেবাননের আল-বাস শিবিরে তার বাড়িতে হত্যা করা হয়েছে বলে জানানো হয়। এ ছাড়া আগস্ট মাসে দক্ষিণ লেবাননের সাইদন শহরে ইসরায়েলি হামলায় হামাসের কমান্ডার সামের আল-হাজ নিহত হন।

 

তার আগে এ বছরের জানুয়ারিতে এক মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, ইসরায়েলের চালানো হামলায় হিজবুল্লাহর দক্ষিণ বৈরুত ঘাঁটিতে হামাসের ডেপুটি নেতা সালেহ আল-আরৌরি ও আরো ছয়জন যোদ্ধা নিহত হয়েছেন।

১৯৪৮ সালের যুদ্ধে ইসরায়েলের সৃষ্টির সময় যারা দেশছাড়া হয়েছিল বা পালিয়ে গিয়েছিল তাদের জন্য লেবাননে ১২টি ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিবির তৈরি হয়েছিল। দীর্ঘদিনের একটি চুক্তির কারণে লেবাননের সেনাবাহিনী এই শিবিরগুলোতে প্রবেশ করে না এবং ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীগুলোকেই নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করতে দেয়।