NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুলাই ৯, ২০২৬ | ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের বাংলাদেশের ‘দেলুপি’তে যুক্ত হলেন বলিউডের অনুরাগ কাশ্যপ নিরাপত্তা কৌশল যাতে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়: প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

গ্রিনল্যান্ডের ৮৫ শতাংশ মানুষ চান না যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হতে


খবর   প্রকাশিত:  ৩০ জানুয়ারী, ২০২৫, ০৩:০৪ এএম

গ্রিনল্যান্ডের ৮৫ শতাংশ মানুষ চান না যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হতে

কয়েকদিন আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, অধিকাংশ গ্রিনল্যান্ডবাসী ডেনমার্ক ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হতে চান। কিন্তু জনমত সমীক্ষা বলছে বাস্তবতা ঠিক এর উল্টো।

সমীক্ষা সংস্থা পোলস্টার ভেরিয়ান সম্প্রতি গ্রিনল্যান্ডে একটি জনমত সমীক্ষা চালিয়েছে। ডেনমার্কের একটি পত্রিকার অনুরোধে তারা এই সমীক্ষা চালায়। সেখানে গ্রিনল্যান্ডের মানুষদের প্রশ্ন করা হয়, তারা ডেনমার্কের অংশ হয়েই থাকতে চান, নাকি যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হতে চান।

 

সমীক্ষায় দেখা গেছে, গ্রিনল্যান্ডের ৮৫ শতাংশ মানুষ যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হতে চান না। তারা যেমন আছেন, তেমনই থাকতে চান। ছয় শতাংশ মানুষ যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হতে চান। আর নয় শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন, তারা এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি।

সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ করবে; কারণ, ওই অঞ্চলটি মার্কিন ভূখণ্ডের অংশ। যদিও গ্রিনল্যান্ড এখন ডেনমার্কের অংশ। ট্রাম্পের এই ঘোষণার পর স্বাভাবিকভাবেই বিতর্ক শুরু হয়েছে। ডেনমার্কের সরকার এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছে। গ্রিনল্যান্ডের স্থানীয় সরকারও এর কঠোর প্রতিবাদ জানিয়েছে।

 

ট্রাম্প প্রথমে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভূরাজনৈতিক নিরাপত্তার জন্য গ্রিনল্যান্ড আমাদের অংশ হওয়া উচিত। এরপর তিনি দাবি করে বসেন, গ্রিনল্যান্ডের ৫৭ হাজার মানুষ যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হতে চান। খবর নিয়েই তিনি একথা বলছেন। কিন্তু ট্রাম্পের বক্তব্যের সঙ্গে গ্রিনল্যান্ডের মানুষের জনমত সমীক্ষার তথ্য মিলছে না।

২০০৯ সালে গ্রিনল্যান্ডকে স্বায়ত্তশাসনের চরম ক্ষমতা দেওয়া হয়। বলা হয়, গণভোটের মাধ্যমে তারা স্বাধীনতার কথাও ভাবতে পারে। অর্থাৎ, ডেনমার্কের থেকে তারা আলাদাও হয়ে যেতে পারে। কিন্তু গত ১৬ বছরে সে কাজ তারা করেনি। কারণ, ডেনমার্কের ছত্রছায়াতে থাকলেও কার্যত স্বাধীনভাবে সরকার চালায় গ্রিনল্যান্ডের প্রশাসন।

ট্রাম্পের ঘোষণার পর গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয়। এখানাকার বাসিন্দারাই ঠিক করবেন, তারা কী চান।

 

অন্যদিকে ডেনমার্ক জানিয়েছে, তারা গ্রিনল্যান্ডে সামরিক ঘাঁটি তৈরির জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ করবে। গ্রিনল্যান্ডের সুরক্ষার জন্য এই কাজ করা হবে। অবশ্য স্বায়ত্তশাসিত এই অঞ্চলটিতে আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।

সূত্র: ডয়েচে ভেলে