NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুলাই ৯, ২০২৬ | ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের
Logo
logo

কেরালার পর এবার দিল্লি-মুম্বাই থেকে ১২ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার


খবর   প্রকাশিত:  ০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫, ০১:২৮ পিএম

কেরালার পর এবার দিল্লি-মুম্বাই থেকে ১২ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

কেরালার ২৭ জনের পর ভারতের মুম্বাই থেকে আরো ৯ বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একইভাবে দিল্লিতে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তাররা সবাই ভারতে অবৈধভাবে বসবাস করছিলেন। বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) অভিযান চালিয়ে মুম্বাইয়ের কংগাও অঞ্চলের ভিওয়ান্ডি থেকে ৯ জন বাংলাদেশি নারীকে গ্রেপ্তার করে ভারতের পুলিশ।

 

 

জানা যায়, তারা প্রত্যেকেই ওই অঞ্চলের একটি ডান্সবারে কর্মরত ছিলেন। নাচ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন তারা।


 

শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ জানায়, ওই নারীরা বৈধ নথি ছাড়াই ভিওয়ান্ডির ঠাকুরপাড়া এলাকায় একটি বাসায় বসবাস করছিলেন। কোনো নথি না দেখে কীভাবে তাদের আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল? সেই অভিযোগে ওই বাসার মালিক দীপক গঙ্গারাম ঠাকুরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

মহারাষ্ট্রের পুলিশ ইনচার্জ রাজ মালি জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে ভিওয়ান্ডি ঠাকুরপাড়া এলাকায় নিউ মারাঠি স্কুলের পেছনের ওই আস্তানায় অভিযান চালায় ক্রাইম ব্রাঞ্চের সদস্যরা। গ্রেপ্তার নারীরা কেউই ভারতে বসবাসের বৈধ নথি দেখাতে পারেননি। তাদের কাছ থেকে ৭০ হাজার রুপি মূল্যের ৬টি মোবাইল ফোন, বাংলাদেশি পাসপোর্ট ও অন্য নথি জব্দ করা হয়েছে।


 

পুলিশ জানায়, অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ করে গত পাঁচ বছর ধরে বসবাস করছিলেন ওই বাংলাদেশি নারীরা।

অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতা’ অধীনে পাসপোর্ট আইন এবং ফরেন ন্যাশনাল আইনের বিভিন্ন ধারায় কংগাঁও পুলিশ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।  

 

তথ্য মতে, গত একমাসে মহারাষ্ট্রের ভিওয়ান্ডি, কল্যাণ, ডোম্বিভলি ও অন্যান্য জায়গা থেকে অন্তত ৪০ জন বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের পুলিশ।

এদিকে, অবৈধ বাংলাদেশি শনাক্তকরণে ধরপাকড় চলছে দিল্লিতেও। বিশেষ অভিযান চালিয়ে দিল্লি থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুয়া ভারতীয় পাসপোর্ট, আধার কার্ড, ভোটার কার্ড সংগ্রহ করে তারা দিল্লির পাহাড়গঞ্জ এলাকায় বসবাস করছিলেন বলে অভিযোগ।

 


 

শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) দিল্লি পুলিশের ডিসিপি এম হর্ষবর্ধন জানান, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্তকরণের যে অভিযান চালানো হয়েছে তাতে ৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরা হলেন জোহরা খাতুন ওরফে সুইটি সরকার, তার মেয়ে সাঈদা আক্তার পুষ্প ওরফে পুষ্প সরকার এবং একটি নাবালক সন্তান। তাদের সকলের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

তাদের আস্তানায় অভিযান চালিয়ে ২টি ভারতীয় পাসপোর্ট, ২টি বাংলাদেশি পাসপোর্ট, ৫টি আধার কার্ড, ২টি প্যান কার্ড, একটি ভোটার কার্ড, বিভিন্ন ব্যাংকের নথি এবং বাংলাদেশের একটি স্কুলের এসএসসি পরীক্ষার সনদ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে গত ২০ বছর ধরে দিল্লিতে বসবাস করছেন জোহরা।

এর আগে, বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) দক্ষিণ ভারতের কেরালা রাজ্য থেকে ২৭ বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। কেরালা পুলিশ এবং ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের পুলিশের অ্যান্টি টেরোরিজম স্কোয়াডের কর্মকর্তা ও সদস্যরা রাতভর অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করেছিল। জানা যায়, রাজ্যটির বন্দরশহর কোচিতে অবৈধভাবে তারা বসবাস করছিল।

বাংলাদেশি নাগরিকদের আটকের বিষয়ে কেরালার এরনাকুলাম জেলার প্রধান পুলিশ কর্মকর্তা বৈভব সাক্সেনা বলেছেন, বুধবার কোচি শহরে রাতভর অভিযান চালিয়ে মোট ৫৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী। থানায় আসার পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আমরা জানতে পেরেছি যে তাদের মধ্যে ২৭ জন বাংলাদেশের নাগরিক।  

তিনি আরো বলেন, গ্রেপ্তার ২৭ বাংলাদেশির কাছ থেকে বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্ম সনদ জব্দ করা হয়েছে। দুজনের কাছ থেকে বাংলাদেশের পাসপোর্টও জব্দ করা হয়েছে।