NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬ | ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউইয়র্ক সফর শেষে দেশে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানে আত্মঘাতী বোমা হামলার পর অ্যাম্বুলেন্সে গুলি, নিহত ১২ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই : ইরান এশিয়ান গেমসে চালকের আসনে চীন, কোন দেশের কত পদক বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে সাইডলাইন বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী ইরানের ৭ দিনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন ট্রাম্প নেইমারের ১০ নম্বর জার্সি এখন রাফিনিয়ার দুবাইয়ে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে গান গাইবেন কেটি পেরি জাতিসংঘে দূরদর্শী ভাষণের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের পোস্ট
Logo
logo

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নিপ্পন ফাউন্ডেশন প্রধানের সমর্থন কামনা


খবর   প্রকাশিত:  ২৯ মে, ২০২৫, ১০:০৫ এএম

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নিপ্পন ফাউন্ডেশন প্রধানের সমর্থন কামনা

রোহিঙ্গা সংকট সমাধান ও বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে তাদের নিজ দেশে ফেরাতে নিপ্পন ফাউন্ডেশনের প্রধান ইয়োহেই সাসাকাওয়ার সমর্থন চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

বুধবার (২৮ মে) জাপানের রাজধানী টোকিওর ইম্পেরিয়াল হোটেলে প্রধান উপদেষ্টার সম্মানে এক নৈশভোজের আয়োজন করেন নিপ্পন ফাউন্ডেশন প্রধান। সেখানে তার সমর্থন কামনা করেন প্রধান উপদেষ্টা।

 

দুই নেতা রোহিঙ্গা সংকট, মিয়ানমারের বর্তমান পরিস্থিতি এবং সাম্প্রতিক মাসগুলোতে বৈশ্বিকভাবে মানবিক সংকটগুলোর জন্য সহায়তা ও অনুদান কমে যাওয়া নিয়ে আলোচনা করেন।

অধ্যাপক ইউনূস সহিংসতাপ্রবণ মিয়ানমারে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে ইয়োহেই সাসাকাওয়ার প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন। সেখানে সামরিক বাহিনী বিভিন্ন আঞ্চলিক বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছে।

 

নিপ্পন ফাউন্ডেশন ও সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রধান হিসেবে ইয়োহেই সাসাকাওয়া ১৫০ বারেরও বেশি মিয়ানমার সফর করেছেন এবং মিয়ানমার সরকার ও শতাধিক জাতিগোষ্ঠীর কাছে অত্যন্ত শ্রদ্ধার পাত্র।

অধ্যাপক ইউনূস রোহিঙ্গা সংকট সমাধান ও বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে তাদের নিজ দেশে ফেরাতে সাসাকাওয়ার সমর্থন কামনা করেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা জানি, মিয়ানমারের সব পক্ষের কাছেই আপনি গভীরভাবে সম্মানিত।

 

 

 

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, প্রতি বছর বাংলাদেশে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে প্রায় ৩৫ হাজার শিশুর জন্ম হচ্ছে, আর তারা কোনো আশার আলো ছাড়াই বড় হচ্ছে।