NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, মার্চ ৯, ২০২৬ | ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২
Logo
logo

যৌথভাবে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত


খবর   প্রকাশিত:  ৩০ জুলাই, ২০২৫, ০৯:০৭ এএম

যৌথভাবে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত

যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত একটি শক্তিশালী নতুন রাডার স্যাটেলাইট ‘নিসার’ মহাকাশে উৎক্ষেপণ হতে যাচ্ছে। এই স্যাটেলাইট পৃথিবীর ভূমি ও বরফের পৃষ্ঠে সূক্ষ্ম পরিবর্তন শনাক্ত করতে এবং প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট বিপর্যয় পূর্বাভাস দিতে সাহায্য করবে।

পিকআপ ট্রাকের আকারের এই স্যাটেলাইটটি ভারতের দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে অবস্থিত সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে সন্ধ্যা ৫:৪০ মিনিটে জিওসিঙ্ক্রোনাস স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকেল রকেটের মাধ্যমে উৎক্ষেপণ করা হবে।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞানীদের মধ্যে এই মিশন ঘিরে রয়েছে ব্যাপক প্রত্যাশা। এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মধ্যে ক্রমবর্ধমান সহযোগিতার একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

নাসার আর্থ সায়েন্স বিভাগের পরিচালক কারেন সেন্ট জার্মেইন বলেন, আমাদের পৃথিবীর পৃষ্ঠে প্রতিনিয়ত অর্থবহ পরিবর্তন ঘটে। কিছু পরিবর্তন ধীরে হয়, কিছু আকস্মিক, কিছু বৃহৎ, আবার কিছু খুব সূক্ষ্ম।

 

নিসার উপগ্রহের মাধ্যমে পৃথিবীর পৃষ্ঠে এক সেন্টিমিটার পর্যন্ত উল্লম্ব গতিবিধির পরিবর্তন শনাক্ত করা সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে ভূমিকম্প, ভূমিধস, আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতের পূর্বাভাসের পাশাপাশি পুরোনো হয়ে যাওয়া বাঁধ ও সেতুর মতো অবকাঠামোর ঝুঁকিও নির্ণয় করা যাবে।

কারেন আরও বলেন, আমরা ভূমির স্ফীততা ও সংকোচন, বরফের গলন, গ্লেসিয়ারের গতি এবং গ্রিনল্যান্ড ও আন্টার্কটিকার বরফচাদরের পরিবর্তন দেখতে পাবো। এমনকি দাবানলও শনাক্ত করা সম্ভব হবে। নিসার হলো আমাদের তৈরি করা সবচেয়ে উন্নত রাডার।

১২ মিটার ব্যাসের একটি বৃহৎ অ্যান্টেনা বহনকারী নিসার স্যাটেলাইটটি মহাকাশে উন্মোচিত হয়ে পৃথিবীর প্রায় সমস্ত ভূমি ও বরফাচ্ছাদিত অঞ্চল প্রতি ১২ দিনে দুইবার করে ৪৬৪ মাইল (৭৪৭ কিলোমিটার) উচ্চতা থেকে পর্যবেক্ষণ করবে।