NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬ | ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে সাইডলাইন বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী ইরানের ৭ দিনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন ট্রাম্প নেইমারের ১০ নম্বর জার্সি এখন রাফিনিয়ার দুবাইয়ে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে গান গাইবেন কেটি পেরি জাতিসংঘে দূরদর্শী ভাষণের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের পোস্ট ইতালির স্কুলে নিষিদ্ধ হচ্ছে বোরকা-নিকাব, বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যাতেও সীমা গাজায় নিজেদের ড্রোন বিস্ফোরণে দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত বানসালির ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’-এর পোস্টারে নতুন লুকে রণবীর বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার আধুনিকায়ন নিয়ে আলোচনা
Logo
logo

এশিয়া কাপ ট্রফি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে অন্যত্র


খবর   প্রকাশিত:  ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:১০ এএম

এশিয়া কাপ ট্রফি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে অন্যত্র

এশিয়া কাপ ফাইনালের কয়েক সপ্তাহ কেটে গেলেও ট্রফি নিয়ে নাটক থামেনি। ভারতের সংবাদ মাধ্যম এএনআই সূত্রে জানা গেছে, ট্রফিটি এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (এসিসি) প্রধান কার্যালয় থেকে সরিয়ে আবুধাবির অন্য স্থানে রাখা হয়েছে।

ট্রফি বিতর্ক শুরু হয়েছিল ভারতের তরফ থেকে পাকিস্তানের মন্ত্রী ও পিসিবি ও এসিসি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির হাত থেকে ট্রফি নিতে অস্বীকৃতি জানানো পর। ফাইনালে পাকিস্তানকে পাঁচ উইকেটে হারানোর পর ভারতের শিরোপা জয় হলেও পোস্ট-ম্যাচ প্রেজেন্টেশন প্রায় ৯০ মিনিট বিলম্বিত হয়।

ভারতের সিদ্ধান্তের পর এক কর্মকর্তা ট্রফিটি ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেন।

 

সূত্রের বরাত দিয়ে এএনআই জানিয়েছে, ‘কয়েক দিন আগে এক বিসিসিআই কর্মকর্তা এসিসি কার্যালয়ে গেলে কর্মীরা জানান, ট্রফিটি এখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং নাকভির তত্ত্বাবধানে আবুধাবিতে রাখা হয়েছে।’

সম্প্রতি নাকভি জানিয়েছেন, ভারত যদি সত্যিই ট্রফি চায়, তারা এসিসি কার্যালয়ে এসে তা সংগ্রহ করতে পারে। তিনি নভেম্বরের শুরুতে একটি অনুষ্ঠানের প্রস্তাবও দিয়েছেন, যেখানে ভারতের হাতে ট্রফি তুলে দেওয়া হবে।

বিসিসিআই এক চিঠির মাধ্যমে ভারতকে ট্রফি হস্তান্তর করার অনুরোধ করলে নাকভি এই প্রস্তাব দেন।

 

সেপ্টেম্বরে এসিসির বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও বৈঠকের পর ভারতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয় যে, নাকভি বিসিসিআইয়ের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন ফাইনালের পরে যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছিল তার জন্য। তবে নাকভি একদিন পরে সেই প্রতিবেদন স্পষ্টভাবে অস্বীকার করেন। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, এসিসি বৈঠকে ভারতের হাতে ট্রফি হস্তান্তরের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেনি।