NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, জুলাই ৮, ২০২৬ | ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের বাংলাদেশের ‘দেলুপি’তে যুক্ত হলেন বলিউডের অনুরাগ কাশ্যপ নিরাপত্তা কৌশল যাতে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়: প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কে ভয়াবহ গোলাগুলি, ৪ শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৮ মুম্বাইয়ে রেড অ্যালার্ট জারি ‘এখানেই শুরু, এখানেই শেষ হলো’ বলে অবসরের ইঙ্গিত নেইমারের দুজন দুই ধর্মের অনুসারী, কোন রীতিতে বিয়ে করলেন আমির-গৌরী? জুলাই অভ্যুত্থান কোনো একক দলের নয়, শান্তিকামী সব মানুষের অর্জন : প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

তেলেঙ্গানা রাজ্য সরকারের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন


খবর   প্রকাশিত:  ০১ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:১১ এএম

তেলেঙ্গানা রাজ্য সরকারের মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন

ভারতের ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও কংগ্রেস নেতা মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন আজ শুক্রবার সকালে তেলেঙ্গানা রাজ্য সরকারের মন্ত্রিসভায় শপথ গ্রহণ করেছেন। রাজ্যের গভর্নর জিশ্নু দেব বর্মা রাজভবনে তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান।

 

আজহারউদ্দিন ঠিক কোন দপ্তরের দায়িত্ব পালন করবেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে তিনি শপথ নেওয়ায় রাজ্যটির মন্ত্রিসভার দীর্ঘদিনের শূন্যতা পূরণ হয়েছে। ভারতের দক্ষিণাঞ্চলের এই রাজ্যে কংগ্রেস সরকারের মন্ত্রিসভায় তিনিই প্রথম মুসলিম প্রতিনিধি।

আজহারউদ্দিনের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তির সমালোচনা করেছে রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি। তারা বলেছে, আগামী ১১ নভেম্বর জুবিলি হিলস আসনের উপনির্বাচনকে মাথায় রেখে আজহারউদ্দিনকে মন্ত্রিসভায় নেওয়া হয়েছে। কারণে, সেখানে প্রায় ৩০ শতাংশ মুসলিম ভোটার রয়েছে।

 

 

তবে শাসক দল তেলেঙ্গানা কংগ্রেস আজহারউদ্দিনের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তিকে সামাজিক ন্যায়ের প্রতিশ্রুতি পূরণ বলে দাবি করেছে। কংগ্রেসের রাজ্যপ্রধান মহেশ গৌদ এনডিটিভিকে বলেন, ‘আমাদের দল সংখ্যালঘুদের মন্ত্রিসভায় প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এমনকি তৎকালীন অন্ধ্র প্রদেশে সব সময় সংখ্যালঘুরা মন্ত্রিসভায় থাকতেন। আমরা কেবল দীর্ঘদিনের অসমতা ঠিক করেছি।’

আজহারউদ্দিন এখন পর্যন্ত বিধানসভা কাউন্সিলের সদস্য নন, যা রাজ্যের মন্ত্রী হওয়ার জন্য আবশ্যক। তবে গভর্নরের কোটায় তাঁকে এরই মধ্যে বিধানসভা কাউন্সিলে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু গভর্নর এখনো প্রস্তাবটিতে সই করেননি। মন্ত্রিসভার পদ ধরে রাখতে হলে তাঁকে ছয় মাসের মধ্যে বিধানসভা কাউন্সিলের সদস্য হতে হবে।