NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, মার্চ ৮, ২০২৬ | ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
জাকাত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশে দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী ‘ইরানি হামলার’ জেরে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লিগ ট্রাম্পের হুমকির পরপরই পাল্টা সতর্কবার্তা দিল ইরান ‘রোনালদোর চোট ধারণার চেয়েও গুরুতর’ তৃষার সঙ্গে ম্যাচিং পোশাকে বিয়েবাড়িতে বিজয়, ফের আদালতে স্ত্রী রবিবার থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল বিক্রি যুদ্ধের মধ্যে প্রথম জুমায় খামেনির জন্য ইরানিদের শোক মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে তারেক রহমান ও আমিরাতের প্রেসিডেন্টের ফোনালাপ আকাশসীমা আংশিক চালু, সীমিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে এমিরেটস ইরানে হামলা না করার সিদ্ধান্তে অটল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, ক্ষুব্ধ ট্রাম্প
Logo
logo

সালমান শাহ বেঁচে থাকলে বলিউডকে পেছনে ফেলত বাংলাদেশ : অহনা


খবর   প্রকাশিত:  ০২ নভেম্বর, ২০২৫, ০৯:১১ পিএম

সালমান শাহ বেঁচে থাকলে বলিউডকে পেছনে ফেলত বাংলাদেশ : অহনা

বাংলাদেশে সালমান শাহ থাকলে বাংলাদেশের ইন্ডাস্ট্রি বলিউডের চেয়েও এগিয়ে যেত বলে মন্তব্য করেছেন অভিনেত্রী অহনা। এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। 

সালমান শাহ ইস্যু সম্প্রতি আলোচনার পর থেকে অনেকেই দেশের এই ক্ষণজন্মা অভিনেতাকে স্মরণ করছেন। এবার সালমান শাহকে নিয়ে কথা বললেন অভিনেত্রী অহনা।

তিনি মনে করেন সালমান শাহ বেঁচে থাকলে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রি আমূল বদলে যেত।

 

সালমান শাহকে এখনো নকল করা হয় জানিয়ে অহনা বলেন, ‘সালমান শাহ যদি থাকতেন তাহলে বাংলাদেশের ইন্ডাস্ট্রি বলিউডের চেয়েও এগিয়ে যেত। কারণ একটা ছবি সব সময় সামনে আসে, শাহরুখ খান, গৌরী খান,  সালমান শাহ ও তার ওয়াইফ। ওই ছবিটা দেখেই বোঝা যায় সালমান শাহ কী ছিলেন সে সময়।

আর তার স্টাইল এখনো নকল করে অনেকে। তার মতো নায়ক বললেই হয়ে যায় না। এত সহজ নয়।’ 

 

 


অহনা মনে করেন সালমান শাহ বেঁচে থাকলে বলিউডের সঙ্গে এ দেশের ইন্ডাস্ট্রির মেলবন্ধন থাকত।

তিনি বলেন, ‘চিন্তা করেন তো সালমান শাহ-শাহরুখ একসঙ্গে মুভি করলে কী হতো? বাংলাদেশের আর্টিস্টরা গিয়ে বলিউডে অভিনয় করতেন, বলিউডের আর্টিস্টরা এসে ঢালিউডে সিনেমা করতেন। তাই হতো, কিন্তু তা তো হচ্ছে না, হবে না।’

 

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইস্কাটনের বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় সালমান শাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর একে একে থানা-পুলিশ, সিআইডি, র‍্যাব, পিবিআইসহ একাধিক সংস্থা তদন্ত চালায়। সব প্রতিবেদনেই ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলা হলেও সালমানের পরিবারের আপত্তিতে প্রতিবারই তদন্ত সংস্থা পরিবর্তন করা হয়।