NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, জুলাই ৮, ২০২৬ | ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের বাংলাদেশের ‘দেলুপি’তে যুক্ত হলেন বলিউডের অনুরাগ কাশ্যপ নিরাপত্তা কৌশল যাতে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়: প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কে ভয়াবহ গোলাগুলি, ৪ শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৮ মুম্বাইয়ে রেড অ্যালার্ট জারি ‘এখানেই শুরু, এখানেই শেষ হলো’ বলে অবসরের ইঙ্গিত নেইমারের দুজন দুই ধর্মের অনুসারী, কোন রীতিতে বিয়ে করলেন আমির-গৌরী? জুলাই অভ্যুত্থান কোনো একক দলের নয়, শান্তিকামী সব মানুষের অর্জন : প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

অন্য দেশের ‘সরকার বদলের’ মার্কিন নীতি শেষ: তুলসী গ্যাবার্ড


খবর   প্রকাশিত:  ০৩ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:১১ এএম

অন্য দেশের ‘সরকার বদলের’ মার্কিন নীতি শেষ: তুলসী গ্যাবার্ড

কোনো দেশের সরকার পরিবর্তনে যুক্তরাষ্ট্র যে নীতি মেনে আসছিল, তা ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলে শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক তুলসী গ্যাবার্ড। অন্য দেশে চাপানো এবং নানা সংঘাতে অযাচিত হস্তক্ষেপের কারণে মিত্রের চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অধিক শত্রু তৈরি হয়েছে বলে দাবি তার।

শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা গবেষণা সংস্থার আয়োজনে বাহরাইনে অনুষ্ঠিত ‘মানামা ডায়ালগ’ নিরাপত্তা সামিটের আগে তিনি এ মন্তব্য করেন। খবর বার্তা সংস্থা এপি’র।

প্রতিবেদনে এপি জানিয়েছে, তুলসীর এই মন্তব্য ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মধ্যপ্রাচ্য সফরকালের বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি। তবে তুলসী মনে করেন, মধ্যপ্রাচ্যে ট্রাম্পের নীতি এখনও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।

 

 

তিনি বলেন, সামনের পথ সহজ বা সরল হবে না, তবে ট্রাম্প এই পথে দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তুলসী গ্যাবার্ড বলেন, ‘দশক ধরে আমাদের বৈদেশিক নীতি— রিজিম চেইঞ্জ বা রাষ্ট্র গঠনের—এক ধরনের ব্যর্থ চক্রে আটকে ছিল। এটি ছিল একমাত্রিক ও একরূপ নীতি।’

মার্কিন জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক বলেন, শাসক পরিবর্তনের মাধ্যমে আমাদের রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা অন্য দেশে চাপানো এবং নানা সংঘাতে অযাচিত হস্তক্ষেপের কারণে মিত্রের চেয়ে অধিক শত্রু তৈরি হয়েছে। এমন নীতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রে ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয়, অগণিত প্রাণহানি এবং অনেক ক্ষেত্রে বৃহত্তর নিরাপত্তা হুমকি তৈরি হয়েছে।

তুলসীর এই মূল্যায়ন ট্রাম্পের নিজস্ব ভাবনার সঙ্গে মিলে যায়, যা ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের সন্ত্রাসী হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধে প্রতিফলিত হয়েছিল। ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের চুক্তি হয়েছিল। যা বাইডেন প্রশাসনের সময়ে ২০২১ সালে বিশৃঙ্খলভাবে শেষ হয়। এছাড়া, তিনি সিরিয়ার সাময়িক প্রেসিডেন্ট আহমাদ আল-শারাকে গ্রহণ করেছেন।

তবে গ্যাবার্ড ট্রাম্পের দক্ষিণ আমেরিকায় যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন, মাদকবহনের অভিযোগ তুলে জাহাজে হামলা এবং ভেনেজুয়েলায় গোপন অভিযান চালানোর বিষয়ে মন্তব্য করেননি।