NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, মার্চ ৮, ২০২৬ | ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
জাকাত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশে দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী ‘ইরানি হামলার’ জেরে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লিগ ট্রাম্পের হুমকির পরপরই পাল্টা সতর্কবার্তা দিল ইরান ‘রোনালদোর চোট ধারণার চেয়েও গুরুতর’ তৃষার সঙ্গে ম্যাচিং পোশাকে বিয়েবাড়িতে বিজয়, ফের আদালতে স্ত্রী রবিবার থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল বিক্রি যুদ্ধের মধ্যে প্রথম জুমায় খামেনির জন্য ইরানিদের শোক মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে তারেক রহমান ও আমিরাতের প্রেসিডেন্টের ফোনালাপ আকাশসীমা আংশিক চালু, সীমিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে এমিরেটস ইরানে হামলা না করার সিদ্ধান্তে অটল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, ক্ষুব্ধ ট্রাম্প
Logo
logo

বিএনপি ক্ষমতায় এলে সাকিব কি দেশে ফিরবেন?


খবর   প্রকাশিত:  ০৬ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:১১ এএম

বিএনপি ক্ষমতায় এলে সাকিব কি দেশে ফিরবেন?

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের আগে, আওয়ামী লীগের নৌকার প্রতীক নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে বিপদে আছেন সাকিব আল হাসান।

এক সময়ের বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার সবশেষ জাতীয় নির্বাচনে মাগুরা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

গত বছরের জুলাই-আগস্টে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার নিয়ে ছাত্রদের আন্দোলনের তোপের মুখে পড়ে দেশ থেকে পালিয়ে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হাসিনা দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বিপদে পড়ে যান। বিপদে পড়ে যান সাকিব আল হাসানও। তাকে হত্যা মামলার আসামি করা হয়। সেই মামলায় গ্রেফতার এড়াতেই দেশের বাইরে অবস্থান করছেন সাকিব। 

একই কারণে গত ১৩ মাস জাতীয় দলের বাইরে আছেন সাকিব। বিদেশে বিভিন্ন টি-টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেললেও জাতীয় দলের হয়ে খেলতে পারছেন না। 

আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। ধারণা করা হচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকার ক্ষমতায় আসতে পারে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে সাকিব দেশে ফিরতে পারবেন? সম্প্রতি এমন এক প্রশ্নের সম্মুখীন হন বিএনপির ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা-১৬ আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সাবেক ফুটবলার আমিনুল হক।

আমিনুল বলেন, ‘যেহেতু সাকিবের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয়ভাবে মামলা হয়েছে, সেটা কিন্তু অবৈধ সরকারের ৩০০ জনের একজন এমপি হওয়ায় সাকিবের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষের বিরুদ্ধে গিয়ে যখন ওই স্বৈরাচার সরকার মানুষকে যেভাবে হত্যা করেছে, যেভাবে গুম করেছে, এটার দায়ভার ৩০০ জনের একজনকে নিতে হবে। এটা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। তবে এটার সিদ্ধান্ত রাষ্ট্র নেবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘একজন সাবেক জাতীয় ফুটবলার, সাবেক জাতীয় অধিনায়ক হিসেবে আমি যেটা রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করেছি, আমাকে প্রতি মুহূর্তে মামলা-হামলায় জর্জরিত করেছে। শারীরিকভাবে নির্যাতিত হয়েছি। আমাকে গুলিবিদ্ধ করা হয়েছে। রক্তাক্ত হয়েছি। এই ধরনের পরিস্থিতি যেন কোনোভাবে খেলোয়াড়ের সঙ্গে না হয়, এটা আমি কখনোই চাই না এবং সমর্থনও করি না।’

আমিনুল হক বলেন, ‘একজন মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হচ্ছে, ভিন্নমত থাকতে পারে। আমি আমার মতামত দিয়ে আমার কাজ যদি সফলভাবে শেষ করতে পারি, এটা আমার যোগ্যতা অনুযায়ী করব। কিন্তু ভিন্নমতের কারণে যে আমার ওপরে বা অন্য কারও ওপরে জুলুম-নির্যাতন হবে, সেটাকে কখনোই সমর্থন করি না এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনো জুলুম নির্যাতন হবে না।’