NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, মার্চ ৮, ২০২৬ | ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
জাকাত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশে দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী ‘ইরানি হামলার’ জেরে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লিগ ট্রাম্পের হুমকির পরপরই পাল্টা সতর্কবার্তা দিল ইরান ‘রোনালদোর চোট ধারণার চেয়েও গুরুতর’ তৃষার সঙ্গে ম্যাচিং পোশাকে বিয়েবাড়িতে বিজয়, ফের আদালতে স্ত্রী রবিবার থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল বিক্রি যুদ্ধের মধ্যে প্রথম জুমায় খামেনির জন্য ইরানিদের শোক মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে তারেক রহমান ও আমিরাতের প্রেসিডেন্টের ফোনালাপ আকাশসীমা আংশিক চালু, সীমিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে এমিরেটস ইরানে হামলা না করার সিদ্ধান্তে অটল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, ক্ষুব্ধ ট্রাম্প
Logo
logo

বাবরি মসজিদ নির্মাণ ঘিরে ভারতে রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে


খবর   প্রকাশিত:  ০৮ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:১২ এএম

বাবরি মসজিদ নির্মাণ ঘিরে ভারতে রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে

ভারতের অযোধ্যায় ভেঙে ফেলা ‘বাবরি মসজিদ’ পুনরায় নির্মাণকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির হুমকি হিসেবে দেখছে বিজেপি। জনগণকে সতর্ক করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী শনিবার (৬ ডিসেম্বর) মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে বাবরি মসজিদের ভিত্তি প্রস্তর অনুষ্ঠান ঘিরে তৈরি হয় ব্যাপক আলোড়ন। এই কর্মসূচির ডাক দিয়েছেন মুর্শিদাবাদের ভরতপুরের বিধায়ক ও তৃণমূল থেকে সাময়িক বহিষ্কৃত নেতা হুমায়ুন কবীর।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভিত্তিপ্রস্তর নির্মাণে কোনও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি। প্রস্তাবিত মসজিদের স্থান থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে দুইস্তর বিশিষ্ট মঞ্চে দাঁড়িয়ে প্রায় ৪০০ মানুষের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন কবির। সৌদি আরব থেকে আগত বলে পরিচয় দেওয়া দুই আলেমকে পরিচয় করিয়ে দেন এবং  ‘নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার’ স্লোগানের মধ্যে ফিতা কেটে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন।

মসজিদ নির্মাণ নিয়ে কবির বলেন, ‘এতে অসাংবিধানিক কিছু নেই। উপাসনালয় নির্মাণ করা সাংবিধানিক অধিকার। বাবরি মসজিদ তৈরি হবেই।’ ১৯৯২ সালের ধ্বংসের ক্ষত মুছতেই এই প্রকল্পকে তিনি ‘মানসিক পুনরুদ্ধারের’ অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন।

নামকরণ নিয়ে হুমকির অভিযোগ করে কবির প্রশ্ন তোলেন, ‘দেশে ৪০ কোটি মুসলমান। এই রাজ্যে ৪ কোটি। আমরা কি একটি মসজিদও বানাতে পারব না?’ তবে এই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে রাজনৈতিক অঙ্গনেও।

বিশাল জমায়েতের এই ঘটনাটি থেকে দূরত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, ব্যক্তিগত জমিতে ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণের অধিকার মানুষের আছে, তবে এ ধরনের কর্মসূচি ব্যবহার করে ‘ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়িয়ে রাজনৈতিক লাভ তোলা’ ঠিক নয়।

তীব্র আক্রমণে নেমেছে বিজেপি। দলটির আইটি সেল প্রধান অমিত মালব্য বলেন, ‘এই তথাকথিত মসজিদ প্রকল্প ধর্মীয় নয়, রাজনৈতিক। উদ্দেশ্য আবেগ উসকে ভোটব্যাঙ্ক শক্তিশালী করা।’

বিজেপির সাবেক রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেন, ‘২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে তৃণমূলই সাম্প্রদায়িক পরিবেশ তৈরি করছে।

পশ্চিম বঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক্স-এ পোস্ট করে সতর্ক করেছেন রাজ্যবাসীকে, সাম্প্রদায়িকতার আগুন জ্বালানোর চেষ্টা যারা করছে তাদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, ‘বাংলার মাটি বিভেদের কাছে কখনও মাথা নত করেনি।’