NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, জুলাই ৮, ২০২৬ | ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের বাংলাদেশের ‘দেলুপি’তে যুক্ত হলেন বলিউডের অনুরাগ কাশ্যপ নিরাপত্তা কৌশল যাতে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়: প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কে ভয়াবহ গোলাগুলি, ৪ শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৮ মুম্বাইয়ে রেড অ্যালার্ট জারি ‘এখানেই শুরু, এখানেই শেষ হলো’ বলে অবসরের ইঙ্গিত নেইমারের দুজন দুই ধর্মের অনুসারী, কোন রীতিতে বিয়ে করলেন আমির-গৌরী? জুলাই অভ্যুত্থান কোনো একক দলের নয়, শান্তিকামী সব মানুষের অর্জন : প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

নিউইয়র্কের আদালতে মাদুরোর দাবি, ‘আমি নির্দোষ, আমি যুদ্ধবন্দি’


খবর   প্রকাশিত:  ০৬ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০১ এএম

নিউইয়র্কের আদালতে মাদুরোর দাবি, ‘আমি নির্দোষ, আমি যুদ্ধবন্দি’

সোমবার নিউইয়র্কের একটি ভরা আদালতে প্রবেশ করেন নিকোলাস মাদুরো। কাঁধ সোজা করে তিনি গ্যালারির দিকে তাকান। কয়েকজনকে স্প্যানিশ ভাষায় অভিবাদন জানান। এরপর তিনি বলেন, ‘আমি নির্দোষ।’

অপসারিত ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট কালো শার্টের নিচে কমলা কারাগারের পোশাক পরে আদালতে হাজির হন। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী তাকে অপহরণ করেছে। তিনি নিজেকে যুদ্ধবন্দি বলেও উল্লেখ করেন।

৩০ মিনিটের শুনানিতে মাদুরো মাদক ও অস্ত্র মামলায় নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘আমি একজন ভদ্র মানুষ। আমি এখনো আমার দেশের প্রেসিডেন্ট।’

ম্যানহাটনের আদালতের কাঠের দেয়ালঘেরা কক্ষে আইনজীবী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। মাদুরো বুঝতে পারছিলেন, সবার দৃষ্টি তার দিকে। তিনি আদালতকে ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের নিন্দা করেন।

একপর্যায়ে বিচারক তাকে থামিয়ে দেন। বিচারক অ্যালভিন হেলারস্টিন বলেন, ‘এসব কথা বলার জন্য সময় ও জায়গা পরে আসবে।’

মাদুরো বলেন, ‘৩ জানুয়ারি শনিবার থেকে আমি এখানে অপহৃত অবস্থায় আছি। ভেনেজুয়েলার কারাকাসে নিজের বাড়ি থেকে আমাকে ধরা হয়।’

শুনানির শেষ দিকে গ্যালারি থেকে এক ব্যক্তি চিৎকার করে বলেন, মাদুরোকে তার অপরাধের মূল্য দিতে হবে। তখন মাদুরো বলেন, ‘আমি একজন যুদ্ধবন্দি।’ এরপর তাকে আদালত কক্ষ থেকে বের করে নেওয়া হয়।

মাদুরো পুরো শুনানিতে শুধু স্প্যানিশ ভাষায় কথা বলেন। অনুবাদের জন্য তিনি হেডফোন ব্যবহার করেন। তিনি কলম ও কাগজে নোট নেন। খুব কমই তিনি মাথা তুলেছিলেন।

তার পাশে স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস বসেছিলেন। আদালতের ভেতরে দুইজন মার্কিন মার্শাল উপস্থিত ছিলেন। তবে কোনো অস্ত্র দেখা যায়নি। সকালে ব্রুকলিনের কারাগার থেকে সাঁজোয়া গাড়িতে করে তাদের আনার সময় ভারী অস্ত্রধারী পুলিশ মোতায়েন ছিল।

আদালতের বাইরে সকাল থেকেই কড়া নিরাপত্তা ছিল। লোহার ব্যারিকেড দিয়ে এলাকা ঘেরা হয়। কয়েক ডজন মানুষ মাদুরোর গ্রেপ্তারকে সমর্থন ও বিরোধিতা করে জড়ো হন। একদল ভেনেজুয়েলার পতাকা হাতে ইউএসএ হ্যান্ডস অফ ভেনেজুয়েলা স্লোগান দেন। তারা ভিভা ভিভা মাদুরো ধ্বনি তোলেন।