NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, জুলাই ৮, ২০২৬ | ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের বাংলাদেশের ‘দেলুপি’তে যুক্ত হলেন বলিউডের অনুরাগ কাশ্যপ নিরাপত্তা কৌশল যাতে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়: প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কে ভয়াবহ গোলাগুলি, ৪ শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৮ মুম্বাইয়ে রেড অ্যালার্ট জারি ‘এখানেই শুরু, এখানেই শেষ হলো’ বলে অবসরের ইঙ্গিত নেইমারের দুজন দুই ধর্মের অনুসারী, কোন রীতিতে বিয়ে করলেন আমির-গৌরী? জুলাই অভ্যুত্থান কোনো একক দলের নয়, শান্তিকামী সব মানুষের অর্জন : প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

কারাগারে ইভ্যালির রাসেল-শামীমা


খবর   প্রকাশিত:  ২১ জানুয়ারী, ২০২৬, ১১:০১ এএম

কারাগারে ইভ্যালির রাসেল-শামীমা

অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার দায়ে বিভিন্ন মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেল ও প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ঢাকার ৭ম যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক নিজাম উদ্দিন তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। 

অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার ১০ মামলায় রাসেলকে এবং দুই মামলায় শামীমা নাসরিনকে সাজা পরোয়ানা মূলে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর আদালত সাজা পরোয়ানা মূলে তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গতকাল সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে ডিবির একটি টিম। তাদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার একাধিক মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি রয়েছে। 

এ ছাড়া, একাধিক মামলায় তাদের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার আদালতে হাজিরার পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রাসেল। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসা শেষে আবারও তাকে হাজতখানায় নেওয়া হয়।

মঙ্গলবার বিকালে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে হাজিরা শেষে তাকে হাজতখানায় নেওয়া হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পুলিশ সদস্যরা ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেল ইনস্টিটিউট হাসপাতালে ভর্তি করেন

বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে হাসপাতালে তার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু হয়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগ থেকে তাকে ইসিজি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।