NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, জুলাই ৮, ২০২৬ | ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের বাংলাদেশের ‘দেলুপি’তে যুক্ত হলেন বলিউডের অনুরাগ কাশ্যপ নিরাপত্তা কৌশল যাতে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়: প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কে ভয়াবহ গোলাগুলি, ৪ শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৮ মুম্বাইয়ে রেড অ্যালার্ট জারি ‘এখানেই শুরু, এখানেই শেষ হলো’ বলে অবসরের ইঙ্গিত নেইমারের দুজন দুই ধর্মের অনুসারী, কোন রীতিতে বিয়ে করলেন আমির-গৌরী? জুলাই অভ্যুত্থান কোনো একক দলের নয়, শান্তিকামী সব মানুষের অর্জন : প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

নাসীরুদ্দীনের অভিযোগে যা বললেন মির্জা আব্বাস


খবর   প্রকাশিত:  ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬, ১০:০১ এএম

নাসীরুদ্দীনের অভিযোগে যা বললেন মির্জা আব্বাস

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস।

মির্জা আব্বাস বলেছেন, ‘আমি চা খাওয়ার দাওয়াত দিছি, এটিও আমার দোষ। এটি নাকি আমি হুমকি দিয়েছি। আমি তাদের কথায় ভীত।

কোথায় কী হয়ে যায়, সব দোষ মির্জা আব্বাসের।’

 

 

তিনি বলেন, ‘আমি তোমাদের বয়সে ঢাকা শহর দাপিয়ে বেড়িয়েছি। শহরজুড়ে আমার বন্ধু-আত্মীয়-স্বজন আছে। আমার যত ভক্ত আছে, তোমাদের আত্মীয়-স্বজনও তত নেই।

যে যত কথাই বলুক, আমি তাদের ফাঁদে পা দেব না। আমার ভোট আমি চাইব, তুমিও ভোট চাও। এলাকার জন্য কী করেছ আর কী করবে বলো। তোমরা পায়ে পাড়া দিয়ে ঝগড়া করার চেষ্টা করছো।

 

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাজধানীর মালিবাগ গুলবাগে ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণার সময় তিনি এসব কথা বলেন। পরে মির্জা আব্বাস শাহজাহানপুর মালিবাগ প্রথম লেন থেকে মৌচাক হয়ে মালিবাগ মোড় যান এবং সেখান থেকে রাজারবাগ পুলিশ গেটে এসে গণসংযোগ করেন।

বিকেলে তিনি ১১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে নির্বাচনি মিছিলে নেতৃত্ব দেন।

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘নির্বাচনের সময় কিছু অতিথি পাখি দেখা যায়। পরে আর পাওয়া যায় না।

৯১ সাল থেকে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। কেউ বলতে পারবে না আমাকে পাওয়া যায়নি। যখন আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি, তখন হাত উঁচিয়ে এ এলাকার মানুষ সমর্থন দিত। পুলিশি হামলা হলে বিভিন্ন মার্কেটে আশ্রয় নিয়েছি। অন্য প্রার্থী কি আন্দোলন-সংগ্রাম করতে গিয়ে পালিয়ে বেড়িয়েছেন? আপনাদের কাজ শুধু কুৎসা রটানো।’

 

 

সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ‘আমি অনেকবার এমপি ছিলাম। কেউ বলতে পারবে না আমার কাছে এসে খালি হাতে ফিরে গেছে। কিন্তু আমি যা পারব না, তা কখনো আশ্বাস দিইনি। মিথ্যা আশ্বাস আমি দিই না। আমি ফেরেশতা না। তবে কারো ক্ষতি করার জন্য মিথ্যা বলি না।’

তিনি বলেন, ‘কিছু মাছের পোনা এসেছে। এদের ঠিকানা কী? আমি যখন জেলে গিয়েছিলাম তখনও বিভিন্ন প্রয়োজনে এলাকার মানুষ আমার বাসায় গেছে। আমার স্ত্রী ও কর্মকর্তারা সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করেছেন। আজকে লম্বা লম্বা কথা বলছেন, কয়জনকে সাহায্য করেছেন! এলাকার কতজনের জানাজায় গেছেন, কয়জনের বিয়ের অনুষ্ঠানে গেছেন? আবার বলেন আমার এলাকা!’

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘একজন বলছে চাঁদাবাজি না কমালে লাল কার্ড দেখাবে। আরে চাঁদাবাজি তো আপনারা করছেন। চাঁদাবাজি তকমা দিয়ে নির্বাচন করতে চাচ্ছেন। চাঁদাবাজদের কেন গ্রেফতার করা হচ্ছে না! যারা লাল কার্ড দেখানোর কথা বলছেন, ১২ তারিখে জনগণই আপনাদের লাল কার্ড দেখাবে।’

তিনি বলেন, ‘ভাবটা এমন যেন বিএনপি ক্ষমতায়। আওয়ামী লীগকে যেভাবে সরানো হয়েছে বিএনপিকেও সেভাবে তাড়ানো হবে। বিএনপি বানের জলে ভেসে আসেনি। সবকিছুতেই বিএনপির দোষ। দেশে এখন থেকেই অশান্তি পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা চলছে।’