NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, মার্চ ৮, ২০২৬ | ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
জাকাত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশে দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী ‘ইরানি হামলার’ জেরে জরুরি বৈঠকে বসছে আরব লিগ ট্রাম্পের হুমকির পরপরই পাল্টা সতর্কবার্তা দিল ইরান ‘রোনালদোর চোট ধারণার চেয়েও গুরুতর’ তৃষার সঙ্গে ম্যাচিং পোশাকে বিয়েবাড়িতে বিজয়, ফের আদালতে স্ত্রী রবিবার থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল বিক্রি যুদ্ধের মধ্যে প্রথম জুমায় খামেনির জন্য ইরানিদের শোক মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে তারেক রহমান ও আমিরাতের প্রেসিডেন্টের ফোনালাপ আকাশসীমা আংশিক চালু, সীমিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে এমিরেটস ইরানে হামলা না করার সিদ্ধান্তে অটল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, ক্ষুব্ধ ট্রাম্প
Logo
logo

এপস্টেইনের সঙ্গে নতুন তথ্য প্রকাশ, লেবার পার্টি ছাড়লেন পিটার ম্যান্ডেলসন


খবর   প্রকাশিত:  ০৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০২ এএম

এপস্টেইনের সঙ্গে নতুন তথ্য প্রকাশ, লেবার পার্টি ছাড়লেন পিটার ম্যান্ডেলসন

সাবেক ব্রিটিশ মন্ত্রী পিটার ম্যান্ডেলসন প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের লেবার পার্টির সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। প্রয়াত মার্কিন ব্যবসায়ী ও কুখ্যাত যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে তার আরো তথ্য প্রকাশের পর গতকাল রবিবার পদত্যাগের ঘোষণা দেন যুক্তরাষ্ট্রের এই রাষ্ট্রদূত। 

এর আগে, এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ ওঠার পর গত বছর স্টারমার তাকে যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটেনের রাষ্ট্রদূত পদ থেকে বরখাস্ত করেছিলেন। সর্বশেষ পদত্যাগের বিষয়ে ম্যান্ডেলসন বলেন, তিনি লেবার পার্টিকে আরো বিব্রতকর অবস্থায় ফেলতে চান না।

 

বিবিসি ও অন্যান্য সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, লেবার পার্টিকে লেখা এক চিঠিতে ম্যান্ডেলসন বলেন, ‘এই সপ্তাহান্তে জেফ্রি এপস্টেইনকে ঘিরে সৃষ্ট বোধগম্য ক্ষোভের সঙ্গে আমাকে আবারও যুক্ত করা হয়েছে। এ জন্য আমি অনুতপ্ত ও দুঃখিত।’

চিঠিতে তিনি আরো দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ প্রকাশিত নথির ভিত্তিতে ব্রিটিশ গণমাধ্যমে যে অভিযোগ করা হয়েছে (এপস্টেইনের কাছ থেকে তিনি আর্থিক সুবিধা পেয়েছিলেন) তা মিথ্যা। বিষয়টি তিনি তদন্ত করে দেখবেন বলেও জানান।

তিনি লেখেন, ‘এই তদন্ত চলাকালে আমি লেবার পার্টিকে আর কোনো অস্বস্তিতে ফেলতে চাই না। সে কারণেই আমি দলের সদস্যপদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

 

১৯৯০-এর দশকে টনি ব্লেয়ারের প্রধানমন্ত্রীত্বকালে লেবার পার্টির নির্বাচনী সাফল্যে ম্যান্ডেলসনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তবে গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতাদের প্রকাশিত নথিতে এপস্টেইনকে লেখা একটি চিঠিতে তাকে ‘আমার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু’ বলে উল্লেখ করার পর নতুন করে বিতর্কের মুখে পড়েন তিনি।

এর জের ধরেই ওয়াশিংটনে ব্রিটেনের দূত হিসেবে তার দায়িত্ব শেষ হয়।

 

দেশীয় রাজনীতিতেও তার ক্যারিয়ার ছিল বিতর্কপূর্ণ। ১৯৯৮ সালে এক সহকর্মী মন্ত্রীর কাছ থেকে গৃহঋণ নেওয়ার ঘটনায় স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ ওঠায় তিনি বাণিজ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন। ২০০১ সালে পাসপোর্ট কেলেঙ্কারিতে এক ভারতীয় ধনকুবেরকে ঘিরে অভিযোগের কারণে আবারও তাকে মন্ত্রিসভা ছাড়তে হয়, যদিও পরে তিনি দায়মুক্তি পান।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাবেক বাণিজ্য কমিশনার ম্যান্ডেলসন বর্তমানে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষের সদস্য হিসেবে ছুটিতে রয়েছেন।

এদিকে পৃথক এক ঘটনায় শনিবার প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেন, জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশের পর ব্রিটেনের সাবেক যুবরাজ প্রিন্স অ্যান্ড্রুর উচিত যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস কমিটির সামনে সাক্ষ্য দেওয়া।