NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, জুলাই ৮, ২০২৬ | ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের বাংলাদেশের ‘দেলুপি’তে যুক্ত হলেন বলিউডের অনুরাগ কাশ্যপ নিরাপত্তা কৌশল যাতে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়: প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কে ভয়াবহ গোলাগুলি, ৪ শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৮ মুম্বাইয়ে রেড অ্যালার্ট জারি ‘এখানেই শুরু, এখানেই শেষ হলো’ বলে অবসরের ইঙ্গিত নেইমারের দুজন দুই ধর্মের অনুসারী, কোন রীতিতে বিয়ে করলেন আমির-গৌরী? জুলাই অভ্যুত্থান কোনো একক দলের নয়, শান্তিকামী সব মানুষের অর্জন : প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

করোনাকালে মোবাইল আসক্তি, তুচ্ছ কারণে ৯ তলা থেকে ঝাঁপ ৩ বোনের


খবর   প্রকাশিত:  ০৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ০৯:০২ এএম

করোনাকালে মোবাইল আসক্তি, তুচ্ছ কারণে ৯ তলা থেকে ঝাঁপ ৩ বোনের

ভারতের উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদের টিলা মোড় থানাধীন ভারত সিটি সোসাইটিতে ঘটেছে এক হৃদয়বিদারক ও শিউরে ওঠার মতো ঘটনা। সোসাইটির বি-১ টাওয়ারের নবম তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহনন করেছে তিন নাবালিকা বোন।

নিহতরা হলো নিশিকা (১৬), প্রাচী (১৪) ও পাখি (১২)। পুলিশি তদন্তে জানা গেছে, তিন বোনই কোরিয়ার একটি ‘টাস্ক-বেসড’ বা লক্ষ্যনির্ধারিত গেমিং অ্যাপে মারাত্মকভাবে আসক্ত ছিল।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গেমের কোনো চ্যালেঞ্জ বা নির্দেশ পূরণ করতেই তারা এই চরম সিদ্ধান্ত নেয়।

 

শালিমার গার্ডেন এলাকার এসিপি অতুল কুমার সিং জানান, রাত আনুমানিক ২টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। ফ্ল্যাটের যে ঘরটিতে একটি ছোট মন্দির ছিল, সেই ঘরের জানালা খোলা অবস্থায় পাওয়া যায়।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, একটি চেয়ারে উঠে তিন বোন একে একে জানালা দিয়ে নিচে ঝাঁপ দেয়।

মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেওয়ার মতো তুচ্ছ পারিবারিক বিরোধের পর তারা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল। পুলিশ একটি ডায়েরি ও আট পৃষ্ঠার নোট উদ্ধার করেছে, যেখানে তাদের দৈনন্দিন অভ্যাস ও মানসিক অবস্থার কথা লেখা ছিল।

 

তদন্তে আরো জানা গেছে, তিন বোনই কোরিয়ান সংস্কৃতি ও কেপপ সংগীতের প্রতি অতিমাত্রায় আসক্ত ছিল। কোভিড-১৯ (করোনা) মহামারির পর থেকে তিন বোনের কেউই নিয়মিত স্কুলে যেত না।

বড় বোন নিশিকা মাত্র চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছিল। দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক যোগাযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার কারণে তারা ইন্টারনেটনির্ভর জীবনে গভীরভাবে জড়িয়ে পড়ে বলে পুলিশ ধারণা করছে।

 

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে গভীর রাতে পুরো আবাসন এলাকায় আতঙ্ক ও শোকের পরিবেশ তৈরি হয়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিন বোনকে উদ্ধার করে লোনির জয়েন্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন। পরে মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।