NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, মার্চ ১০, ২০২৬ | ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২
Logo
logo

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ভুটান ও নেপালের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক


খবর   প্রকাশিত:  ০৮ মার্চ, ২০২৬, ০৯:০৩ পিএম

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ভুটান ও নেপালের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

ভুটান ও নেপালের রাষ্ট্রদূত আজ পৃথক সৌজন্য সাক্ষাতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদার ও আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

আজ রবিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত দাশো কার্মা হামু দর্জি এবং নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি আজ রাজধানীতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে পৃথকভাবে সাক্ষাৎ করেন।

 

এ সময় রাষ্ট্রদূতরা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় শামা ওবায়েদ ইসলামকে অভিনন্দন জানান এবং বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ব্যাপারে তাদের সরকারের আগ্রহের কথা জানান।

বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে শক্তিশালী, পারস্পরিক কল্যাণকর ও ভবিষ্যতমুখী সম্পর্ক গড়ে তোলা বিএনপি সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এর মাধ্যমে আঞ্চলিক শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

ভুটানের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ-ভুটান সম্পর্কের সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা করা হয়।

উভয় পক্ষ বাণিজ্য, জ্বালানি, সংযোগ, শিক্ষা এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরো বাড়ানোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে।

 

এ সময় প্রতিমন্ত্রী ১৯৭১ সালে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার ক্ষেত্রে ভুটানের ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।

বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং কুড়িগ্রামে ভুটানের একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এসইজেড) প্রতিষ্ঠার বিষয়েও আলোচনা হয়।

অন্যদিকে নেপালের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী নেপালের সাম্প্রতিক সংসদ নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় দেশটির সরকার ও জনগণকে অভিনন্দন জানান।

 

বৈঠকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি সহযোগিতা, সংযোগ, শিক্ষা, পর্যটন, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

এ সময় উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও নেপালের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো জোরদার এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা গভীর করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। আলোচনায় আঞ্চলিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও মতবিনিময় হয়।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা জোরদারে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) প্রতিষ্ঠায় প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী উদ্যোগের কথা স্মরণ করেন এবং সংস্থাটিকে পুনরুজ্জীবিত করার গুরুত্ব তুলে ধরেন।