NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, জুলাই ৭, ২০২৬ | ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের বাংলাদেশের ‘দেলুপি’তে যুক্ত হলেন বলিউডের অনুরাগ কাশ্যপ নিরাপত্তা কৌশল যাতে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়: প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কে ভয়াবহ গোলাগুলি, ৪ শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৮ মুম্বাইয়ে রেড অ্যালার্ট জারি ‘এখানেই শুরু, এখানেই শেষ হলো’ বলে অবসরের ইঙ্গিত নেইমারের দুজন দুই ধর্মের অনুসারী, কোন রীতিতে বিয়ে করলেন আমির-গৌরী? জুলাই অভ্যুত্থান কোনো একক দলের নয়, শান্তিকামী সব মানুষের অর্জন : প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

ব্রিটিশ রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ, কে হচ্ছেন স্টারমারের উত্তরসূরি?


খবর   প্রকাশিত:  ২৩ জুন, ২০২৬, ০৯:০৬ এএম

ব্রিটিশ রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ, কে হচ্ছেন স্টারমারের উত্তরসূরি?

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগের ঘোষণার পর দেশটির রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। লেবার পার্টির পরবর্তী নেতা এবং সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে জোরালো আলোচনা শুরু হয়েছে।

এ দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন গ্রেটার ম্যানচেস্টারের সাবেক মেয়র এবং মেকারফিল্ড আসন থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অ্যান্ডি বার্নহাম।

 

স্টারমারের বিদায়ের ঘোষণা এবং বার্নহামের উত্থানকে ঘিরে ওয়েস্টমিনস্টারে ক্ষমতার পালাবদলের আভাস স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বার্নহাম প্রধানমন্ত্রী হলে তিনি হবেন গত চার বছরে যুক্তরাজ্যের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী।

 

 

তবে তার সম্ভাব্য নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্নও কম নয়।

মাত্র এক সপ্তাহ আগে যিনি সংসদ সদস্য ছিলেন না, তিনি আগামী মাসেই প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন—এ বিষয়টি নিয়ে লেবার পার্টির ভেতরেই রয়েছে উদ্বেগ। অনেকেই মনে করিয়ে দিচ্ছেন, বার্নহাম অতীতে দু’বার লেবার নেতৃত্বের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে পরাজিত হয়েছিলেন।

 

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বর্তমানে বার্নহামের জনপ্রিয়তার মূল কারণ হলো তাকে একজন ‘জয়ী নেতা’ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে স্টারমারকে ব্যর্থতার প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ইংল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলে রিফর্ম ইউকের শক্তিশালী অবস্থানের মধ্যেও বার্নহাম নিজের রাজনৈতিক প্রভাব ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছেন।

 

 

 

সমালোচকদের মতে, গ্রেটার ম্যানচেস্টারে তার জনপ্রিয়তা থাকলেও জাতীয় পর্যায়ে তার গ্রহণযোগ্যতা এখনও পুরোপুরি পরীক্ষিত নয়। তার রাজনৈতিক দর্শন, অর্থনৈতিক পরিকল্পনা এবং জাতীয় নীতিমালা সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত ধারণা পাওয়া যায়নি।

স্টারমারের পদত্যাগের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় বার্নহাম বলেন, জনগণ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, জনসেবা, আবাসন এবং আগামী প্রজন্মের জন্য নতুন সুযোগ দেখতে চায়। তবে এসব লক্ষ্য তিনি কীভাবে বাস্তবায়ন করবেন, তা নিয়ে এখন ব্যাপক নজরদারি শুরু হয়েছে।

 

 

লেবার পার্টির কিছু সদস্য এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের চিফ সেক্রেটারি ড্যারেন জোনসকে নেতৃত্বের প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

যদিও তার ঘনিষ্ঠরা বলছেন, এ সম্ভাবনা আপাতত খুবই কম।

 

এদিকে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বার্নহামের সামনে পররাষ্ট্রনীতি ও প্রতিরক্ষা খাতেও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন অপেক্ষা করছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক, সামরিক ব্যয় বৃদ্ধি এবং সেই অর্থের উৎস কী হবে—এসব বিষয়ে তাকে শিগগিরই স্পষ্ট অবস্থান জানাতে হতে পারে।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী কয়েক সপ্তাহেই পরিষ্কার হবে অ্যান্ডি বার্নহাম লেবার পার্টির নেতৃত্ব দেওয়া এবং যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর পদে অধিষ্ঠিত হওয়ার পথে কতটা এগোতে পারেন।

সূত্র : বিবিসি