NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, জুলাই ২১, ২০২৬ | ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
Logo
logo

ঋণসংকট মোকাবেলায় জাতিসংঘের নেতৃত্বে বৈশ্বিক ব্যবস্থার আহ্বান


খবর   প্রকাশিত:  ১৯ জুলাই, ২০২৬, ১০:০৭ এএম

ঋণসংকট মোকাবেলায় জাতিসংঘের নেতৃত্বে বৈশ্বিক ব্যবস্থার আহ্বান

মধ্যপ্রাচ্য সংকটসহ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার কারণে উন্নয়নশীল দেশগুলোর ওপর বাড়তে থাকা ঋণ ও রাজস্ব চাপ মোকাবেলায় জাতিসংঘের নেতৃত্বে একটি কার্যকর আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। সরকারের মতে, ঋণ পুনর্গঠন, ঋণ-ভার লাঘব, ঋণ পরিশোধ স্থগিত এবং টেকসই ঋণসমাধানের মতো উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা গেলে উন্নয়নশীল দেশগুলো নারী, শিশু, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সুরক্ষা খাতে বিনিয়োগ অব্যাহত রাখতে পারবে এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের গতি ধরে রাখা সম্ভব হবে।

 

 

 

শুক্রবার নিউ ইয়র্কে ইউনিসেফ সদর দপ্তরে সংস্থাটির মানবিক কার্যক্রম ও সরবরাহ বিভাগের উপনির্বাহী পরিচালক টেড শেইবানের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এ আহ্বান জানান। বৈঠকে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকিও উপস্থিত ছিলেন।

ড. তিতুমীর বলেন, মধ্যপ্রাচ্যসংকটের কারণে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন এবং ক্রমবর্ধমান ঋণের চাপ বাংলাদেশের রাজস্ব সক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে সংকুচিত করেছে। তবে এসব চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ দর্শনের আলোকে নারী, শিশু ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

 

 

 

তিনি জানান, নতুন সরকার নারীকে উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে রেখে জীবনচক্রভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলছে। এ লক্ষ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির মাধ্যমে নারীপ্রধান পরিবারগুলোকে গর্ভাবস্থা, শিশুর বেড়ে ওঠা, শিক্ষা, প্রতিবন্ধিতা ও বার্ধক্যসহ জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে সহায়তা দেওয়া হবে।

বৈঠকে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি সরকারের ‘এক শিশু, এক কার্ড, এক নম্বর ও এক ওয়ালেট’ কৌশলের কথা তুলে ধরে বলেন, এর মাধ্যমে জন্মনিবন্ধন, বিদ্যালয়ে ভর্তি এবং সরকারি সেবাপ্রাপ্তি আরো সমন্বিত ও কার্যকর হবে। তিনি শিক্ষকদের ডিজিটাল প্রশিক্ষণ, আধুনিক শিক্ষাসামগ্রী এবং বহুভাষাভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রমে ইউনিসেফের সহযোগিতাও কামনা করেন।

 

 

 

জবাবে ইউনিসেফের উপনির্বাহী পরিচালক টেড শেইবান সীমিত রাজস্ব সক্ষমতার মধ্যেও নারী, শিশু ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কল্যাণে বাংলাদেশের উদ্যোগের প্রশংসা করেন। পাশাপাশি শিক্ষা, প্রারম্ভিক শৈশব বিকাশ, পুষ্টি, সামাজিক সুরক্ষা, শিক্ষক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিশুকেন্দ্রিক তথ্যব্যবস্থা উন্নয়নে বাংলাদেশের সঙ্গে ইউনিসেফের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।