NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬ | ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে সাইডলাইন বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী ইরানের ৭ দিনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন ট্রাম্প নেইমারের ১০ নম্বর জার্সি এখন রাফিনিয়ার দুবাইয়ে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে গান গাইবেন কেটি পেরি জাতিসংঘে দূরদর্শী ভাষণের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের পোস্ট ইতালির স্কুলে নিষিদ্ধ হচ্ছে বোরকা-নিকাব, বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যাতেও সীমা গাজায় নিজেদের ড্রোন বিস্ফোরণে দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত বানসালির ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’-এর পোস্টারে নতুন লুকে রণবীর বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার আধুনিকায়ন নিয়ে আলোচনা
Logo
logo

চার্লস বলেছিলেন ‘ডায়ানাকে ভুলে যাব’, স্মৃতিকথায় স্পেন্সার


খবর   প্রকাশিত:  ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৯:০৯ এএম

চার্লস বলেছিলেন ‘ডায়ানাকে ভুলে যাব’, স্মৃতিকথায় স্পেন্সার

রাজকীয় জাঁকজমক, বিশ্বজুড়ে কোটি মানুষের ভালোবাসা আর আলোড়ন সৃষ্টি করা এক জীবন—প্রিন্সেস ডায়ানার মৃত্যুর ২৭ বছর পরেও তাকে ঘিরে নানা স্মৃতি ও বিতর্ক যেন আজও পিছু ছাড়েনি। এবার তারই ছোট ভাই চার্লস স্পেন্সারের প্রকাশিতব্য একটি স্মৃতিকথা নতুন করে রাজপরিবারের পুরানো ক্ষতকে সামনে নিয়ে এসেছে।

 

স্পেন্সারের দাবি, ১৯৯৭ সালে ডায়ানার মর্মান্তিক মৃত্যুর পর তৎকালীন প্রিন্স চার্লস নাকি তাকে আশ্বস্ত করে বলেছিলেন, ‘নিশ্চিন্ত থাকুন, আমরা খুব শীঘ্রই তাকে ভুলে যাব।’ ইউকে-র দৈনিক ‘ডেইলি মেইল’-এ প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে বলা হয়, শেষকৃত্যের সময় ডায়ানার দুই নাবালক সন্তান—প্রিন্স উইলিয়াম ও প্রিন্স হ্যারি মায়ের কফিনের পেছনে হাঁটবেন কি না, তা নিয়ে সৃষ্ট বিতর্কের এক পর্যায়ে চার্লস এই মন্তব্য করেছিলেন। স্পেন্সার মূলত নিজের বোনকে নিয়ে নিজস্ব অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশের লক্ষ্যেই বইটি লিখেছেন বলে জানিয়েছেন।

বাকিংহাম প্যালেস সাধারণ বই নিয়ে সরাসরি মন্তব্য না করলেও বিষয়টিকে এড়িয়ে যায়নি।

রাজা চার্লসের পক্ষে এক মুখপাত্র অত্যন্ত সুচিন্তিত বার্তা দিয়ে জানান, স্বজন হারানোর গভীর শোক মানুষের যুক্তি, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ও স্মৃতিশক্তিকে দীর্ঘ বছর পরও ভিন্নভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

 

১৯৮১ সালে বিয়ে থেকে শুরু করে ১৯৯৬ সালে বিবাহবিচ্ছেদ এবং পরের বছরই প্যারিসে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা—ডায়ানার ৩৬ বছরের জীবনজুড়েই ছিল আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কৌতূহল। রাজপরিবারের ভেতরের অম্ল-মধুর সম্পর্কগুলো যে এত বছর পরও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে পারে, ব্রিটিশ রাজপরিবারের সাম্প্রতিক এই বাকযুদ্ধ তারই প্রমাণ দেয়।