NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬ | ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউইয়র্ক সফর শেষে দেশে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানে আত্মঘাতী বোমা হামলার পর অ্যাম্বুলেন্সে গুলি, নিহত ১২ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই : ইরান এশিয়ান গেমসে চালকের আসনে চীন, কোন দেশের কত পদক বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে সাইডলাইন বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী ইরানের ৭ দিনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন ট্রাম্প নেইমারের ১০ নম্বর জার্সি এখন রাফিনিয়ার দুবাইয়ে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে গান গাইবেন কেটি পেরি জাতিসংঘে দূরদর্শী ভাষণের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের পোস্ট
Logo
logo

যুদ্ধ বন্ধ করে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করুন: প্রধানমন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ০৭ অক্টোবর, ২০২৪, ০৩:১৯ এএম

>
যুদ্ধ বন্ধ করে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করুন: প্রধানমন্ত্রী

করোনা মহামারির প্রভাব না কাটতেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং নিষেধাজ্ঞার ফলে সারা বিশ্বের সাধারণ মানুষ কষ্টে আছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, যুদ্ধ বন্ধ এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) পায়রা বন্দরের ক্যাপিটাল ড্রেজিং ও আটটি জাহাজের উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ কথা বলেন তিনি।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “শুধু বাংলাদেশ না, সারা বিশ্বের উন্নত দেশগুলো জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকটে ভুগছে। আমরাও তার থেকে বাইরে না। হঠাৎ করে সব জিনিসের দাম বেড়ে গেছে।”

তিনি বলেন, “একদিকে করোনা মহামারির প্রভাব, অন্যদিকে ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’ হচ্ছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। সেই সঙ্গে স্যাংশন (নিষেধাজ্ঞা)। যার ফলে আজকে সারাবিশ্বের সাধারণ মানুষগুলো ভুক্তভোগী। তারা কষ্টে আছে। কারা লাভবান হচ্ছে জানি না। হয়তো লাভবান হচ্ছে যারা অস্ত্র ব্যবসা করেন, অস্ত্র বানান।”

সরকারপ্রধান আরও বলেন, “শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা বিশ্বব্যাপী মানুষগুলো কষ্ট পাচ্ছে। কাজেই আমার বিশ্ববাসীর কাছে আবেদন, এই যুদ্ধটা বন্ধ করতে হবে। স্যাংশন প্রত্যাহার করতে হবে। মানুষকে বাঁচার সুযোগ দিতে হবে। মানুষের জীবনমান ধরে রাখার ব্যবস্থা নিতে হবে। আমি মনে করি উন্নত দেশগুলো, যারা যুদ্ধংদেহী ভাব নিয়ে পথে নেমেছেন, তাদের কাছে আমার এই আবেদনটা থাকল। আমরা চাই, এই অস্থিরতা বন্ধ হোক।”

শেখ হাসিনা বলেন, “বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। এই পায়রা বন্দরটা এক সময় আমরা গভীর সমুদ্রবন্দরে উন্নত করতে পারব। ইতোমধ্যে মাতারবাড়ি-মহেশখালী গভীর সমুদ্রবন্দরে রূপান্তর হয়েছে।”

তিনি বলেন, “উত্তরবঙ্গের মানুষকে আমি দক্ষিণে নিয়ে গেছি, বাংলাদেশটা চেনার জন্য। এটা হচ্ছে বাস্তব কথা। এই নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ বাংলাদেশের অর্থে হচ্ছে। আমাদের রিজার্ভের টাকা দিয়ে তৈরি করা ফান্ড এবং এর টাকা দিয়েই আমরা এই কাজটা শুরু করতে যাচ্ছি।”

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পায়রা বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল সোহায়েল, নৌ পরিবহন সচিব মোস্তফা কামাল।