NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬ | ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউইয়র্ক সফর শেষে দেশে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানে আত্মঘাতী বোমা হামলার পর অ্যাম্বুলেন্সে গুলি, নিহত ১২ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই : ইরান এশিয়ান গেমসে চালকের আসনে চীন, কোন দেশের কত পদক বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে সাইডলাইন বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী ইরানের ৭ দিনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন ট্রাম্প নেইমারের ১০ নম্বর জার্সি এখন রাফিনিয়ার দুবাইয়ে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে গান গাইবেন কেটি পেরি জাতিসংঘে দূরদর্শী ভাষণের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের পোস্ট
Logo
logo

অবৈধ অভিবাসন ঠৈকাতে ইতালির সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ অক্টোবর, ২০২৪, ০২:৩০ এএম

>
অবৈধ অভিবাসন ঠৈকাতে ইতালির সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

লিবিয়া হয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশিদের ইতালিতে যাত্রার সমস্যা সমাধানে দেশটির ত্রিপোলিতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত জিউসেপ বুচ্চিনোর সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল এস এম শামীম-উজ-জামান।  

গত রোববার (৩০ অক্টোবর) ইতালির রাষ্ট্রদূত বুচ্চিনোর সঙ্গে তার অফিসে সাক্ষাৎ করেন লিবিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত। এ সময় অবৈধ অভিবাসন ঠৈকাতে এ সহযোগিতা চান বাংলাদেশি দূত।

রাষ্ট্রদূত শামীম-উজ-জামান ইতালির রাষ্ট্রদূতকে দুর্দশাগ্রস্ত বাংলাদেশি অভিবাসীদের দুর্দশার বিষয়ে বিস্তারিত আলাপ করেন। ইতালির রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের উদ্বেগের প্রশংসা করেন এবং যৌথভাবে অপপ্রচার বন্ধ করা, বিশেষ করে তরুণদের বিপদ ও ঝুঁকি সম্পর্কে সংবেদনশীল করার প্রচেষ্টা পুনর্ব্যক্ত করেন।

উভয় পক্ষ দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত বুচ্চিনোকে জানান, বাংলাদেশ তৈরি পোশাক খাত, জাহাজ নির্মাণ ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছে।

উভয় পক্ষ দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে সঠিক অভিবাসন, জনশক্তি খাতে সম্ভাব্য সহযোগিতা, কনস্যুলার সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ এবং সমাধান ইত্যাদি বিষয়ে মতবিনিময় করে।  

ইতালির রাষ্ট্রদূত জানান, ইতালি লিবিয়ায় বেশ কয়েকটি প্রকল্প হাতে নিচ্ছে। এর মধ্যে একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আধুনিকায়ন এবং লিবিয়ায় মোটরওয়ে বিল্ডিং, যেখানে বাংলাদেশি জনশক্তি নিয়োগ করা যেতে পারে।

দুই রাষ্ট্রদূত লিবিয়ার শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার এবং প্রচেষ্টার প্রতি তাদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।