NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের
Logo
logo

রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের সহায়তায় জাপান-ইউএনএফপিএর চুক্তি


খবর   প্রকাশিত:  ২৩ নভেম্বর, ২০২৪, ১১:০৮ এএম

>
রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের সহায়তায় জাপান-ইউএনএফপিএর চুক্তি

নোয়াখালীর ভাসানচরে স্থানান্তরিত রোহিঙ্গা এবং স্থানীয়দের সহায়তার জন্য জাপান সরকার ও জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) মধ্যে ৩৭ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ নভেম্বর) বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি এবং ইউএনএফপিএ-এর প্রতিনিধি ক্রিস্টিন ব্লুকুস এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

জাপান দূতাবাস জানায়, চুক্তির আওতায় এই ৩৭ মিলিয়ন ডলার যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য পরিষেবা বৃদ্ধি, লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা থেকে নারীদের মর্যাদা এবং নিরাপত্তা রক্ষাসহ কিশোর ও যুবকদের ক্ষমতায়নের জন্য ব্যবহার করা হবে।

জাপানের রাষ্ট্রদূত বলেন, কক্সবাজার ও ভাসানচরে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জাপান এবং ইউএনএফপিএর মাধ্যমে অতিরিক্ত সহায়তা দিতে পেরে আমি আনন্দিত। যদিও দীর্ঘায়িত রোহিঙ্গা সংকটের কারণে অনেক নারী ও মেয়ে প্রজনন স্বাস্থ্য সমস্যা এবং লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতায় (জিবিভি) ভুগছে। 

ইতো নাওকি বলেন, আমি আশা করি এ সহায়তা নারী ও মেয়েদের সুরক্ষা, মর্যাদা এবং জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে অবদান রাখবে। যেহেতু রোহিঙ্গা সংকট ষষ্ঠ বছরে পদার্পণ করেছে তাই মিয়ানমারে দ্রুত প্রত্যাবাসনের জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে শরণার্থীদের উন্নত ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনের জন্য অর্থায়ন অব্যাহত রাখা অপরিহার্য।

রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান একটি মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিকের দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়নের জন্য সহায়ক হবে বলে মনে করেন তিনি।