NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের
Logo
logo

করোনার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে স্বাস্থ্যখাতে মানোন্নয়ন করা হবে


খবর   প্রকাশিত:  ০১ জানুয়ারী, ২০২৫, ০৩:৩৫ এএম

>
করোনার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে স্বাস্থ্যখাতে মানোন্নয়ন করা হবে

করোনা মোকাবিলার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে স্বাস্থ্যখাতের মানোন্নয়ন করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। 

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ও চিকিৎসকসহ সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ করোনা যুদ্ধে জয়লাভ করেছি। সে সময় সবাই সবার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেছে।

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় সম্মুখ যোদ্ধাদের সম্মানে রোডম্যাপ টু রেসিলিয়েন্স অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

জাহিদ মালিক বলেন, করোনাকালে আমরা কেন আগাম প্রস্তুতি নিইনি। সেটা নিয়ে অনেকে প্রশ্ন করেছেন, সমালোচনা করেছেন। অথচ এটা সম্পূর্ণ নতুন ছিল, এর বিষয়ে আমরা কিছু জানি না। আগাম প্রস্তুতি কী করে নেব? করোনাকালে আমরা হাসপাতাল তৈরিতেও বাধা পেয়েছি। ভয়ে অনেক এলাকার লোকজন হাসপাতাল তৈরি করতে দিতে চায়নি। সরকারির পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা চালুর চেষ্টা করেছি। ভয় পেয়ে অনেকেই তখন চিকিৎসা দিয়ে রাজি ছিল না। কিন্তু সবশেষে সবাই এগিয়ে এসেছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা ভেবেছিলাম করোনা আমাদের দেশে আসবে না। কিন্তু ২০২০ সালের মার্চ মাসে আমাদের দেশে প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। মৃত্যুর ঘটনাও একই মাসে ঘটেছে। আমরা মুক্তিযুদ্ধ অংশ নিতে পারিনি। কিন্তু আমরা করোনাকেই একটা যুদ্ধ হিসেবে নিয়েছি। এটাকে দেশের জন্য কিছু করার সুযোগ হিসেবে নিয়েছি। অনেকে আপনজন হারিয়েছি। আমাদের সব থেকে আশার দিক ছিল, চিকিৎসক নার্স টেকনোলজিস্ট কেউ পিছ পা না হওয়া। সবাই তার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেছে। আমরা সকলে মিলে এই যুদ্ধে অংশ নিয়েছি।  

তিনি বলেন, আমরা শূন্য হতে করোনা মোকাবিলার কাজ শুরু করেছি। অল্প সময়ের মধ্যে করোনা চিকিৎসায় আমরা ২০ হাজার আলাদা বেড তৈরি করেছি, সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন স্থাপন করেছি। আমাদের মাত্র একটা ল্যাব ছিল, আর এখন পর্যায়ক্রমে সরকারি-বেসরকারি মিলে ৮০০ এর অধিক ল্যাব আছে। আমরা জনগণের জন্য ভ্যাকসিন নিশ্চিত করেছি। আমরা ফ্রন্টলাইনারদের আগে দিয়েছি, এরপর বয়স বিবেচনায় দিয়েছি। পর্যায়ক্রমে সকলকে ভ্যাকসিনের আওতায় এনেছি। আমাদের মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা নৌকা দিয়ে, হেঁটে, পাহাড় চড়ে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছি। আমরা একদিনে ১ কোটি ২০ লাখ টিকা দিয়েছি৷ ফলে আমরা ভালো আছি।

জাহিদ মালেক বলেন, আমরা দেশের স্বাস্থ্যখাতে অবকাঠামো, সেবা ও শিক্ষার মানোন্নয়ন করতে চাই। স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নের মাধ্যমে সুনাম অর্জন করতে চাই। যেমনটা আমরা কোভিড মোকাবিলায় সারাবিশ্বে অর্জন করেছি।