NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুলাই ১১, ২০২৬ | ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পরিকল্পনা শেখ হাসিনার, সহকর্মীদের নিয়ে আত্মসমর্পণের ইচ্ছা পরিবেশ মেলার স্টল ঘুরে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী, উপহার পেলেন শিশুদের আঁকা ছবি আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হচ্ছেন রাবাব ফাতিমা হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে হামলার ষড়যন্ত্র, অভিযুক্ত ৮ উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা, শেষ বিদায় খামেনিকে মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স প্রকাশ্যে দীপিকার বেবি বাম্প Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

বাংলাদেশ নিয়ে মার্কিন-রুশ বাগযুদ্ধ, নেপথ্যে নিষিদ্ধ জাহাজ!


খবর   প্রকাশিত:  ১০ জানুয়ারী, ২০২৪, ১১:০৪ এএম

বাংলাদেশ নিয়ে মার্কিন-রুশ বাগযুদ্ধ, নেপথ্যে নিষিদ্ধ জাহাজ!

ঢাকা: বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা নিয়ে গত সপ্তাহে প্রকাশ্য বাগযুদ্ধ চলছিল যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে। ঠিক সে সময় আড়ালে তৎপরতা চলছিল নিষিদ্ধ একটি রুশ জাহাজ বাংলাদেশে ভিড়তে দেওয়া না দেওয়া নিয়ে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, উরসা মেজর নামে রাশিয়ার পতাকাবাহী জাহাজটি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালামাল নিয়ে গত ১৪ নভেম্বর রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গ বন্দর ছেড়ে আসে। গত ২৪ ডিসেম্বর জাহাজটির বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা ছিল।

 

 

কিন্তু ওই জাহাজ বাংলাদেশে আসার আগেই যুক্তরাষ্ট্র ঢাকাকে জানায়, উরসা মেজর নামে জাহাজটি আসলে স্পার্টা থ্রি নামে রাশিয়ার মালিকানাধীন একটি জাহাজ। এর ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া আছে। এই জাহাজটিকেই নাম বদলে নতুন নাম উরসা মেজর হিসেবে নিবন্ধন দেওয়া আছে। নিষেধাজ্ঞার আওতাধীন জাহাজকে বাংলাদেশে ভিড়তে দিলে সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।



অন্য দিকে রাশিয়ার চাপ ছিল জাহাজটিকে ভিড়তে দেওয়ার। বিষয়টি বাংলাদেশের উচ্চ পর্যায় পর্যন্ত গড়ায়। গত ২২ ডিসেম্বর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে রাশিয়ার প্রতিনিধির উপস্থিতিতে জানিয়ে দেওয়া হয়, নীতি অনুযায়ী বাংলাদেশ কোনো নিষিদ্ধ জাহাজ ভিড়তে দেবে না। সেদিন ঢাকায় রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতকেও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে এ কথা জানিয়ে দেয় সরকার।

বাংলাদেশ বলেছে অতীতে যে সব জাহাজে করে রাশিয়া রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মালামাল পাঠিয়েছে আগামীতেও সেভাবে পাঠাতে পারে। কিন্তু নিষিদ্ধ কোনো জাহাজে করে নয়।

এর আগে গত সপ্তাহের শুরুর দিকে ঢাকায় রুশ দূতাবাস অভিযোগ করেছিল, গণতন্ত্র, মানবাধিকারসহ বিভিন্ন অজুহাতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ বা কোথাও হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করছে। রাশিয়ার নীতি হলো কখনও অন্য দেশে হস্তক্ষেপ না করা। এরপর ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাশিয়াকে খোঁচা দিয়ে বলেছিল, রাশিয়ার ওই নীতি কি ইউক্রেনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?

২২ ডিসেম্বর মস্কোতে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রও ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূতসহ পশ্চিমা কিছু দেশের কূটনীতিকদের তৎপরতা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ বলে মন্তব্য করে। রুশ মুখপাত্র ঢাকায় জার্মান দূতাবাসেরও নাম নিয়েছেন। ২৫ ডিসেম্বর ঢাকায় জার্মান রাষ্ট্রদূত আখিম ত্রোস্তার এক টুইট বার্তায় বলেন, বড় দিনের উৎসবেও ইউক্রেনে রাশিয়ার বোমাবর্ষণ ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ।