NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, জুলাই ৮, ২০২৬ | ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের বাংলাদেশের ‘দেলুপি’তে যুক্ত হলেন বলিউডের অনুরাগ কাশ্যপ নিরাপত্তা কৌশল যাতে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়: প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কে ভয়াবহ গোলাগুলি, ৪ শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৮ মুম্বাইয়ে রেড অ্যালার্ট জারি ‘এখানেই শুরু, এখানেই শেষ হলো’ বলে অবসরের ইঙ্গিত নেইমারের দুজন দুই ধর্মের অনুসারী, কোন রীতিতে বিয়ে করলেন আমির-গৌরী? জুলাই অভ্যুত্থান কোনো একক দলের নয়, শান্তিকামী সব মানুষের অর্জন : প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

দামি ফুটবলার হলেও সবচেয়ে ধনী নন রোনালদো


খবর   প্রকাশিত:  ০১ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০২:০০ পিএম

>
দামি ফুটবলার হলেও সবচেয়ে ধনী নন রোনালদো

ইউরোপের কোনো নামিদামি ক্লাবে জায়গা না পেয়ে শেষমেষ সৌদি আরবের ক্লাবে পাড়ি জমালেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। তবে আল নাসেরে যোগ দিয়ে নতুন এক মাইলফলক ছুঁয়েছেন পর্তুগিজ মহাতারকা। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক পাওয়া ফুটবলার এখন তিনি। সৌদির ক্লাবে তার বার্ষিক আয় বাংলাদেশি মুদ্রায় ২২১৩ কোটি টাকা। 

ক্লাবের বাইরে বাণিজ্যিক চুক্তি থেকে বছরে প্রায় ৪২ কোটি টাকা আয় আছে রোনালদোর। তবে এতোকিছু সত্ত্বেও বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ফুটবলার হতে পারছেন না রোনালদো। পর্তুগিজ তারকার চেয়েও ধনী ফুটবলার আছেন একজন। শুধু তাই নয়, রোনালদোর চেয়ে  ১৫ গুণ সম্পত্তির মালিক তিনি।

বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ফুটবলারের নাম ব্রুনাইয়ের ফাইক। ২০২২ সালে এক বছরে তিনি আয় করেছেন বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৪৮২৮ কোটি টাকার বেশি। শুধু রোনালদোই নন বিশ্বের ধনীতম এ ফুটবলারের সঙ্গে আয়ের লড়াইয়ে পাল্লা দেওয়ার ক্ষমতা নেই লিওনেল মেসি, নেমার, কিলিয়ান এমবাপে-সহ বিশ্বের প্রথম সারির কোনও ফুটবলারেরই। তবে বিস্ময়কর ব্যাপার ফুটবলার হিসেবে তেমন উল্লেখযোগ্য আয় নেই ফাইকের।

ফুটবলার ছাড়া আরও একটি পরিচয় রয়েছে ফাইকের। তিনি ব্রুনাইয়ের রাজ পরিবারের সদস্য।  ব্রুনাইয়ের সুলতান হাসানাল বলকিয়াহর ভাইপো তিনি। ফাইকের বাবা ব্রুনেইয়ের যুবরাজ জেফরি বলকিয়াহ। ১৯৮৬ থেকে ১৯৯৭ পর্যন্ত তিনি ছিলেন দেশের অর্থমন্ত্রী। এখন তিনি ব্রুনাইয়ের বিনিয়োগ সংস্থার চেয়ারম্যান।

ব্রুনাইয়ের সব তেলের খনি এবং ভান্ডারের মালিক রাজ পরিবার। তেল রফতানি থেকে বিশাল আয়ের প্রায় সবটাই রাজকোষের পরিবর্তে ঢোকে রাজ পরিবারের কোষাগারে। রাজ পরিবারের প্রত্যেক পুরুষের কিছু না কিছু রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব রয়েছে। ফাইকের উপরও রয়েছে নির্দিষ্ট কিছু দায়িত্ব। তবে ফুটবলের জন্য বিদেশে থাকায় কর্মচারীদের মাধ্যমে নিজের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। সে কারণে বিপুল বেতনের পাশাপাশি তেল ব্যবসার লভ্যাংশও পান তিনি।