NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুলাই ৯, ২০২৬ | ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের বাংলাদেশের ‘দেলুপি’তে যুক্ত হলেন বলিউডের অনুরাগ কাশ্যপ নিরাপত্তা কৌশল যাতে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়: প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কে ভয়াবহ গোলাগুলি, ৪ শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৮ মুম্বাইয়ে রেড অ্যালার্ট জারি ‘এখানেই শুরু, এখানেই শেষ হলো’ বলে অবসরের ইঙ্গিত নেইমারের দুজন দুই ধর্মের অনুসারী, কোন রীতিতে বিয়ে করলেন আমির-গৌরী? জুলাই অভ্যুত্থান কোনো একক দলের নয়, শান্তিকামী সব মানুষের অর্জন : প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

‘সব প্রকাশ করলে পরিবার কখনো ক্ষমা করত না’, বললেন প্রিন্স হ্যারি


খবর   প্রকাশিত:  ০৯ নভেম্বর, ২০২৪, ০৮:৪০ এএম

>
‘সব প্রকাশ করলে পরিবার কখনো ক্ষমা করত না’, বললেন প্রিন্স হ্যারি

‘স্পেয়ার’ নামে একটি স্মৃতিকথামূলক বই প্রকাশ করে চারদিকে হইচই ফেলে দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রিন্স হ্যারি। এই বইয়ে নিজেদের জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন তিনি।

এরমধ্যে রয়েছে নিজের আপন ভাই প্রিন্স উইলিয়ামের সঙ্গে মারামারি হওয়ার ঘটনা, বাবাকে আবারও বিয়ে না করতে বলা এবং আফগানিস্তানে কথিত অভিযানে ২৫ জন তালেবান যোদ্ধাকে হত্যার কথা। এই স্মৃতিকথায় মূলত নিজ স্ত্রী মেগান মের্কেলকে নিয়ে পরিবারের সঙ্গে হওয়া বিভিন্ন ঝামেলার কথা তুলে ধরেছেন হ্যারি।

তবে প্রিন্স হ্যারি জানিয়েছেন, তার ভাই ও বাবার সঙ্গে আরও অনেক কিছু নিয়ে তার ঝামেলা হয়েছে। কিন্তু সেগুলো তিনি বইয়ে উল্লেখ করেননি। যদি করতেন তাহলে তার পরিবার হয়ত তাকে কখনোই ক্ষমা করত না।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি টেলিগ্রাফের সাংবাদিক ব্রায়োনি গর্ডনের সঙ্গে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেছেন হ্যারি। তিনি আরও জানিয়েছেন, তিনি চান তার পরিবারের সদস্যরা যেন স্ত্রী মেগান মের্কেলের কাছে ক্ষমা চান।

সাংবাদিক ব্রায়োনি গর্ডন প্রিন্স হ্যারির সঙ্গে দেখা করতে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়াতে গিয়েছিলেন। সাক্ষাৎকারে হ্যারি দাবি করেছেন, তিনি ‘রাজতন্ত্রের পতন ঘটাতে’ এসব করছেন না। এর বদলে ‘তাদের জন্যই তাদের বাঁচাতে চাইছেন।’

প্রিন্স হ্যারির কাছে বর্ণনা শুনে বইটি লিখেছেন নেপথ্য লেখক জেপি মরিঙ্গার। হ্যারি জানিয়েছেন মরিঙ্গারের কাছে অনেক কথা বলেছেন তিনি। কিন্তু সেগুলো মূল বইয়ে তুলে ধরা হয়নি। ওই সব কিছু উল্লেখ করলে দু’টি বই প্রকাশ করা যেত। বইয়ের প্রথম ড্রাফটটি ৮০০ পাতার হয়েছিল। যা কমিয়ে ৪০০ পাতায় নিয়ে আসা হয়।

এ ব্যাপারে হ্যারি বলেছেন, ‘পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি না আনলে আমি আমার জীবন সম্পর্কে কিছুই বলতে পারতাম না। তারাই আমার জীবনে সবচেয়ে বেশি প্রভাব রেখেছেন। এছাড়া বইয়ে উল্লেখিত সবার সম্পর্কেও আপনাকে বুঝতে হবে।’

তিনি আরও বলেছেন, ‘কিন্তু এমন কিছু ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে আমার ভাই ও বাবার মধ্যে, যেগুলো আমি চাই না পৃথিবীর মানুষ জানুক। আমি মনে করি এগুলো প্রকাশ করলে তারা কখনো আমাকে ক্ষমা করতেন না। কিন্তু এখন আপনারা বলতে পারেন তাদের নিয়ে কিছু বিষয় প্রকাশিত হয়েছে। ঠিক আছে, তারা এমনিতেও আমাকে কখনো ক্ষমা করবে না।’

এরপর পরিবারের সদস্যদের নিজের সঙ্গে বসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রিন্স হ্যারি। তিনি বলেছেন, ‘কিন্তু আমি যেভাবে দেখি। আপনারা আমার সঙ্গে যাই করেছেন আমি আপনাদের ক্ষমা করে দেব। আমি আশা করি, আমি ভুলভালে আছি এগুলো না বলে, আপনারা আমার সঙ্গে ভালোভাবে বসবেন। আসলে আমার সঙ্গে ভালোভাবে বসুন। আমি যেটি চাই সেটি হলো দায় নেওয়া এবং আমার স্ত্রীর কাছে ক্ষমা চাওয়া।