NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুলাই ৯, ২০২৬ | ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের বাংলাদেশের ‘দেলুপি’তে যুক্ত হলেন বলিউডের অনুরাগ কাশ্যপ নিরাপত্তা কৌশল যাতে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়: প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

তুরস্ক-সিরিয়ায় ভূমিকম্প ৫২ ঘণ্টা পর নাটকীয়ভাবে উদ্ধার ৮ বছরের শিশু


খবর   প্রকাশিত:  ০৫ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৯:১০ এএম

>
তুরস্ক-সিরিয়ায় ভূমিকম্প ৫২ ঘণ্টা পর নাটকীয়ভাবে উদ্ধার ৮ বছরের শিশু

ভূমিকম্পে ধসে যাওয়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ৮ বছর বয়সী এক শিশুকে নাটকীয়ভাবে উদ্ধারের পর তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছেন তুরস্কের উদ্ধারকারীরা। এই উদ্ধার তৎপরতা সিরিজ ছবি তুলেছেন গেটি ইমেজের এক আলোকচিত্রী; যেখানে ফুটে উঠেছে মায়ের কোলে ফিরতে মরিয়া এই শিশুর আকুতি।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন বলছে, প্রথম ভূমিকম্প আঘাত হানার ৫২ ঘণ্টা পর তুরস্কের হাতায়ে শহরের ধ্বংসস্তূপ থেকে ৮ বছর বয়সী শিশু ইয়াজিত চাকমাক-কে উদ্ধার করা হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে তাকে যখন বের করে আনা হয়, তখন তার চোখ-মুখে ধরা পড়ে আতঙ্ক আর পরিবারের সাথে মিলিত হওয়ার আকুতি।

dhakapost
তুরস্কের হাতায়ে শহরের ধসে যাওয়া ভবন থেকে শিশু ইয়াজিতকে বের করে আনছেন এক উদ্ধারকর্মী

গেটি ইমেজের আলোকচিত্রী বুরাক কারা ওই শিশুকে নাটকীয়ভাবে উদ্ধারের সিরিজ ছবি তুলেছেন। ছবিতে ধ্বংসস্তূপ থেকে ইয়াজিতকে উদ্ধার এবং তারপর তার মায়ের কাছে তুলে দেওয়া পর্যন্ত দৃশ্য কতটা রোমহর্ষক ছিল তা পরিষ্কার ফুটে উঠেছে।

dhakapost
ধ্বংসস্তূপ থেকে একজন থেকে আরেকজন উদ্ধারকারীর হাত বদল করে মায়ের কাছে নেওয়া নেওয়া হচ্ছে ইয়াজিত চাকমাককে

শিশুটিকে ভবনের ধ্বংসাবশেষ থেকে বের করার পর একজন একজন করে উদ্ধারকর্মীর কাঁধ হয়ে তার মায়ের কোলে গিয়ে পৌঁছায়। ইয়াজিতকে উদ্ধারের সময় তার মা ভবনের ধ্বংসাবশেষের কাছে সন্তানকে জীবিত উদ্ধারের আশায় অপেক্ষার প্রহর গুনছিলেন।