NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, জুলাই ৮, ২০২৬ | ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের বাংলাদেশের ‘দেলুপি’তে যুক্ত হলেন বলিউডের অনুরাগ কাশ্যপ নিরাপত্তা কৌশল যাতে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়: প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কে ভয়াবহ গোলাগুলি, ৪ শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৮ মুম্বাইয়ে রেড অ্যালার্ট জারি ‘এখানেই শুরু, এখানেই শেষ হলো’ বলে অবসরের ইঙ্গিত নেইমারের দুজন দুই ধর্মের অনুসারী, কোন রীতিতে বিয়ে করলেন আমির-গৌরী? জুলাই অভ্যুত্থান কোনো একক দলের নয়, শান্তিকামী সব মানুষের অর্জন : প্রধানমন্ত্রী
Logo
logo

ন্যাশনাল মাল্টিকালচারাল ফেস্টিভালে বাংলাদেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি প্রদর্শন


খবর   প্রকাশিত:  ০২ জানুয়ারী, ২০২৪, ১২:২৭ পিএম

ন্যাশনাল মাল্টিকালচারাল ফেস্টিভালে বাংলাদেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি প্রদর্শন

অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরায় অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী ন্যাশনাল মাল্টিকালচারাল ফেস্টিভালে বাংলাদেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড প্রদর্শন করা হয়। 

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে এ বহু সাংস্কৃতিক উৎসবের শোভাযাত্রায় ব্যানার-ফেস্টুনসহ বিভিন্ন সাজে প্রবাসী বাংলাদেশি এবং বাংলাদেশ হাইকমিশনের সদস্যগণ ও তাদের পরিবারের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।


এ উৎসবে বাংলাদেশ হাইকমিশনকে দুইদিনব্যাপী বরাদ্দকৃত স্টলে বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, ধর্মীয় সম্প্রতি তুলে ধরা হয়। স্টলটিতে বাংলাদেশের সংস্কৃতি, পর্যটন, পাট ও বস্ত্র শিল্পের নানা কারুকার্যের জিনিসপত্রও প্রদর্শন করা হয়। এছাড়া বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য, ঐতিহাসিক দর্শনীয় স্থানসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের ভিডিও  প্রদর্শন করা হয়।

অস্ট্রেলিয়ান ক্যাপিটাল টেরিটরি সরকারের চিফ মিনিস্টার বাংলাদেশ হাইকমিশনের স্টল পরিদর্শনে এলে বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম আল্লামা সিদ্দিকী তাকে বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন বিষয় ব্যাখ্যা করেন।


এছাড়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে মনোমুগ্ধকর নৃত্য ও সংগীত পরিবেশনসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড তুলে ধরা হয়।


প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে ক্যানবেরায় বহু সাংস্কৃতিক উৎসবের আয়োজন করা হয়। তিন দিন ব্যাপী এ উৎসব এবছর ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়। এই উৎসবে ৩৫০ টি কমিউনিটি ভিত্তিক দলের অংশগ্রহণ এবং ৭০ টি দেশের কূটনৈতিক মিশন জড়িত থাকার মধ্য দিয়ে এটি একটি বহুজাতিক ও সাংস্কৃতিক মিলনমেলায় পরিণত হয় যাতে প্রায় দুই লক্ষ মানুষের আগমন ঘটে।