NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, জুলাই ১৫, ২০২৬ | ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আজ ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক’ দেবেন প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্পের প্রাইম টাইম ভাষণ বৃহস্পতিবার, নজর ইরান ও নির্বাচন ১৬ বছর পর ফাইনালে স্পেন, অশ্রুসিক্ত বিদায় ফ্রান্সের ‘এসব সহ্য করব না’, ফটোগ্রাফারদের জারিন খানের কড়া বার্তা ঢাকার ৪১৬ বছর পূর্তিতে ‘ঢাকা উৎসব’, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে ১০ লাখ ডলারের বেশি অনুদান যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর গ্রাহামের সম্মানে মার্কিন পতাকা অর্ধনমিত রাখার নির্দেশ ট্রাম্পের চড়া মূল্যে বিক্রি হচ্ছে টেইলর সুইফটের বিয়ের ‘আবর্জনা’! ইতিহাস বলছে আর্জেন্টিনা ফাইনাল খেলবে পানিবন্দি মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় মাঠ প্রশাসনকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা
Logo
logo

নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে ‘বাংলাদেশ স্ট্রিট’র উদ্বোধন, বাংলাদেশীদের উল্লাস


খবর   প্রকাশিত:  ২৬ জানুয়ারী, ২০২৫, ০২:৩৪ এএম

নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে ‘বাংলাদেশ স্ট্রিট’র উদ্বোধন, বাংলাদেশীদের উল্লাস

নিউইয়র্ক : নিউইয়র্কে কুইন্সের প্রানকেন্দ্র জ্যাকসন হাইটসে ‘বাংলাদেশ স্ট্রিট’র উদ্বোধন হয়েছে। জ্যাকসন হাইটসের প্রানকেন্দ্রে ৭৩ স্ট্রিটের নাম হয়েছে ‘বাংলাদেশ স্ট্রিট’। বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে ২৬ মার্চ রোববার নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলম্যান শেখর কৃষ্ণান বাংলাদেশ স্ট্রিটের নামফলক উন্মোচন করেন। এ সময় শ শ প্রবাসী বাংলাদেশী উল্লাসে মেতে উঠেন। ৭৩ স্ট্রিটের নামটি বাংলাদেশ স্ট্রিটের নামকরনের মধ্যদিয়ে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার পূরন হলো। কুইন্স ব্যরোর জ্যাকসন হাইটসে বাংলাদেশি মালিকানায় বহু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বাংলাদেশিদের পদচারনায় দিনরাত মুখরিত থাকে এলাকাটি।সড়কটির উদ্বোধনের আগে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সিটি কাউন্সিলম্যান শেখর কৃষ্ণান, কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং, স্টেট অ্যাসেম্বলীওম্যান ক্যাটালিনা ক্রুজ, জেসিকা গঞ্জালেজ, মাইকেল জিনারো, সিটি কাউন্সিলওম্যান লিন্ডা লি। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন শ্রমিক নেতা বাংলাদেশি মিলন রহমান।
নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলে প্রথম ভারতীয় আমেরিকান এবং দ্বিতীয় দক্ষিণ এশিয়ান কাউন্সিলম্যান শেখর কৃষ্ণান বলেন, বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা দিবসে বাংলাদেশের নামে সড়কটি উদ্বোধন করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। এই এলাকার বাংলাদেশিরা আমার আপনজন, তাদের জন্য কিছু করতে পেরে আমি ধন্য।
কংগ্রেসনাল বাংলাদেশ ককাসের অন্যতম সদস্য গ্রেস মেং বলেন, নিউইয়র্ক সিটিতে সর্বাধিক সংখ্যক বাংলাদেশির বাস। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশির বাস কুইন্সে। বাংলাদেশ হচ্ছে একটি গর্বিত রাষ্ট্র। দেশটি বহুক্ষেত্রেই অবিশ্বাস্যরকমের অগ্রগতি অর্জন করেছে।
গ্রেস মেং বলেন, বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যেকার সম্পর্কে ব্যাপক উন্নতি ঘটেছে। এরফলে যুক্তরাষ্ট্রের বেশকিছু কোম্পানীর বাংলাদেশে বিপুল বিনিয়োগও ঘটেছে। বাংলাদেশের মানুষের জন্যে আরো অনেক কিছু করার আছে।
উল্লেখ্য, নিউইয়র্কে এর আগে কুইন্সের হিলসাইড এভিনিউতে লিটল বাংলাদেশ, ওজোনপার্কে বাংলাদেশ ওয়ে এবং ব্রুকলীনের চার্চ-ম্যাকডোনাল্ডকে ‘লিটল বাংলাদেশ’ হিসেবে নতুন নামকরণের ‘নামফলক’ উম্মোচন করা হয়েছে।