যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের (এনওয়াইপিডি) অধীনে কর্মরত স্কুল সেফটি অফিসারদের সংগঠন আমেরিকান বাংলাদেশী স্কুল সেফটি অ্যাসোসিয়েশনের (আবসা) বার্ষিক বনভোজন ও চড়ুইভাতি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) লং আইল্যান্ডের বেলমন্ট লেক স্টেট পার্কে অত্যন্ত আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে এই বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়।
বিপুল সংখ্যক স্কুল সেফটি অফিসার, তাদের পরিবারের সদস্য, প্রবাসের বিভিন্ন স্তরের গণ্যমান্য অতিথিদের উপস্থিতিতে মুখরিত ছিল পার্ক প্রাঙ্গণ। বনভোজনের সার্বিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সারওয়ার চৌধুরী এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন সেলিম চৌধুরী।
সংগঠনের সেফটি অফিসারদের মধ্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ শরীফ খান, দিপা দাস তিন্নি, অসীম সরকার, জুবায়ের আহমেদ, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, অমিত দে, রমা দাশ, আব্দুল কুদ্দুস, শেখ আব্দুর রহিম, মুহিতুর রহমান, তমা চক্রবর্তী, আবুল হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম, মাহবুবুর রহমান, ইশিতা দাশ ও জুবায়ের বিন আবু মোল্লা প্রমুখ।
কমিউনিটির বিশিষ্ট অতিথিদের মধ্যে অনুষ্ঠানে যোগ দেন এনওয়াইপিডি লেফটেন্যান্ট বিলাল উদ্দিন, বাংলাদেশি আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের (বাপা) সাধারণ সম্পাদক ডিটেকটিভ জামিল সারওয়ার, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব ওয়াছি চৌধুরী, বাংলাদেশি আমেরিকান কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শাহ বদরুজ্জামান রুহেল, পোস্টাল এমপ্লয়ী ইউনিয়নের সহসভাপতি মতি দাস, লোন অফিসার চিরঞ্জিত ঘোষ এবং রিয়াল এস্টেট প্রফেশনাল নাজমুস সাকিব সালাম।
এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন পুলিশ অফিসার লিটন সরকার, ট্রাফিক সুপারভাইজার মোহাম্মদ মোহিত, এইচআরএ সুপারভাইজার শীলা মনি, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ মাসুক মিয়া, স্টেটেন আইল্যান্ড ডেমোক্র্যাট সোসাইটির সভাপতি আফজাল আলী আনসারী, চৌধুরী মোমিত তানিম ও হাবিবুর রহমানসহ অনেকে।
সকালে ঐতিহ্যবাহী নাস্তার মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী এই আয়োজনের সূচনা হয়। এরপর সংগঠনের সদস্যরা অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে সম্মিলিতভাবে আকাশে রঙিন বেলুন উড়িয়ে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন। দুপুরের মধ্যাহ্নভোজের পর শুরু হয় আকর্ষণীয় সাংস্কৃতিক পর্ব। এতে চমৎকার সংগীত পরিবেশন করেন সংগঠনের আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য তমা চক্রবর্তী। দিনভর নানা বয়সী নারী, পুরুষ ও শিশুদের জন্য ছিল স্বতঃস্ফূর্ত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। বিকেলে ছিল প্রবাসীদের চিরচেনা মুখরোচক ‘ঝালমুড়ি পর্ব’।
দিনশেষে আয়োজনের মূল আকর্ষণ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও র্যাফেল ড্র এর বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণী। এবারের ক্রীড়া পুরস্কারগুলো যৌথভাবে স্পন্সর করেন শরীফ খান, সেলিম চৌধুরী, সারওয়ার চৌধুরী ও জুবায়ের আহমেদ।
র্যাফেল ড্রতে ছিল আকর্ষণীয় সব পুরস্কার। এর মধ্যে প্রথম পুরস্কার ৬৫ ইঞ্চি স্মার্ট টিভি স্পন্সর করেন লোন অফিসার চিরঞ্জিত ঘোষ, দ্বিতীয় পুরস্কার ল্যাপটপ স্পন্সর করেন লোন অর্গানাইজার ক্রিস রুদ্র, তৃতীয় পুরস্কার ল্যাপটপ স্পন্সর করেন রিয়ালটর সাইদুর রহমান লিঙ্কন।


