NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, মার্চ ৭, ২০২৬ | ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
রবিবার থেকে রেশনিং পদ্ধতিতে জ্বালানি তেল বিক্রি যুদ্ধের মধ্যে প্রথম জুমায় খামেনির জন্য ইরানিদের শোক মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে তারেক রহমান ও আমিরাতের প্রেসিডেন্টের ফোনালাপ আকাশসীমা আংশিক চালু, সীমিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে এমিরেটস ইরানে হামলা না করার সিদ্ধান্তে অটল ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, ক্ষুব্ধ ট্রাম্প মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রীকে সরিয়ে দিলেন ট্রাম্প এবার তিশার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিলেন সামিয়া অথৈ যুক্তরাষ্ট্রকে কূটনৈতিকভাবে ইরান সংকট সমাধানের আহ্বান বাংলাদেশের খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা স্থগিত করল ইরান আর্জেন্টিনা-স্পেন ‘ফিনালিসিমা’ স্থানান্তর হতে পারে ইউরোপে
Logo

রওশন হক

রওশন-1
চাবাহার বন্দরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইরানের সঙ্গে চুক্তি সইয়ের পরেই আমেরিকার নিশানা করল ভারতকে!-ভারতকে হুঁশিয়ারি! নাম না করে আমেরিকা বলল, ইরানের সঙ্গে চুক্তির জন্য জারি হতে পারে নিষেধাজ্ঞা । ২০১৫ থেকে চাবাহারের শহিদ বেহেস্তি বন্দর ব্যবহারের জন্য প্রতি বছর ভারত-ইরানের চুক্তি নবীকরণ হচ্ছিল। নতুন চুক্তির ফলে টানা ১০ বছর বন্দরের পরিচালনভার পেল ভারত, যা মেয়াদ পার হলে স্বয়ংক্রিয় ভাবে নবীকরণ হবে। চাবাহার বন্দরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইরানের সঙ্গে চুক্তি সইয়ের পরেই আমেরিকার নিশানা করল ভারতকে! মঙ্গলবার আমেরিকার বিদেশ দফতরের সহকারি মুখপাত্র বেদান্ত পটেল জানান, ইরানের সঙ্গে কোনও ব্যবসায়িক চুক্তি ভাল ভাবে দেখে না ওয়াশিংটন। তিনি বলেন, ‘‘গত তিন বছরে তেহরানের সঙ্গে সম্পর্কের জন্য প্রায় ছ’শো ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের উপর আমরা নিষেধাজ্ঞা জারি করেছি।’’ চাবাহার বন্দরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইরানের সঙ্গে চুক্তি সইয়ের পরেই আমেরিকার নিশানা করল ভারতকে! মঙ্গলবার আমেরিকার বিদেশ দফতরের সহকারি মুখপাত্র বেদান্ত পটেল জানান, ইরানের সঙ্গে কোনও ব্যবসায়িক চুক্তি ভাল ভাবে দেখে না ওয়াশিংটন। তিনি বলেন, ‘‘গত তিন বছরে তেহরানের সঙ্গে সম্পর্কের জন্য প্রায় ছ’শো ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের উপর আমরা নিষেধাজ্ঞা জারি করেছি।’’ প্রসঙ্গত, সোমবার নরেন্দ্র মোদী সরকারের জাহাজ ও বন্দরমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল তেহরানে ইরানের সড়ক ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী মেহেরদাদ বাজরপাশের উপস্থিতিতে ভারতের ইন্ডিয়ান পোর্টস গ্লোবাল এবং ইরানের পোর্ট অ্যান্ড ম্যারিটাইম অরগানাইজ়েশনের মধ্যে চাবাহার বন্দর চুক্তি হয়েছে। তার পরেই ওই হুঁশিয়ারি এল ওয়াশিংটনের তরফে। Article
বার্নি স্যান্ডার্স প্যালেস্টাইনপন্থী শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে সমর্থন-ইজরায়েল নিয়ে ঢেঁকি গেলার মতো অবস্থায় পড়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। প্যালেস্টাইনের মুক্তির দাবিতে পথে নামছেন আমেরিকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা। শাস্তির মুখে পড়েও পিছু হটছেন না তাঁরা। ওই সমস্ত শিক্ষার্থীদের  পড়াশোনার ব্যবস্থা তারা করে দেবে বলে বার্তা দিয়েছে হুথি জঙ্গিরা। শিক্ষার্থীদের -বিক্ষোভ এবং ভিন্ দেশের যুদ্ধে প্রচুর খরচের প্রশ্নে ভোটের আগে সব মিলিয়ে বেশ বিপাকে বর্তমান প্রেসিডেন্ট। এর মধ্যে প্যালেস্টাইনপন্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে সেনেটর বার্নি স্যান্ডার্স বলেছেন, ‘বাইডেনের ভিয়েতনাম’ হয়ে উঠতে পারে ইজরায়েল। গত ৭ অক্টোবর ইজরায়েল-হামাস সংঘাত শুরুর হওয়ার পরেই সরাসরি প্যালেস্টাইনের হামাসের পাশে দাঁড়ায় পশ্চিম এশিয়ার বেশ কয়েকটি সশস্ত্র সংগঠন। তার মধ্যে হুথিরা অন্যতম। তারা লোহিত সাগরের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক নৌপথে হামলা শুরু করে। গত কয়েক সপ্তাহে আমেরিকার নানা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন প্যালেস্টাইনপন্থী বিক্ষোভে দু’হাজারের বেশি গ্রেফতারি হয়েছে। শাস্তির মুখে পড়েছেন যে সব  শিক্ষার্থী, তাঁদের জন্য ইয়েমেনের দরজা খোলা রয়েছে, বার্তা দিয়েছে হুথিরা। হুথি পরিচালিত সানা ইউনিভার্সিটির এক অধিকার কর্মী  বলেন, “প্যালেস্টাইনের পাশে দাঁড়িয়ে আমেরিকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন যাঁরা, তাঁদের আন্তরিক ভাবে স্বাগত জানাচ্ছি। প্যালেস্টাইনের পাশে এই লড়াইয়ে যত রকম ভাবে থাকা সম্ভব, আমরা রয়েছি।” নির্দিষ্ট ইমেল-ঠিকানা দিয়ে সানা ইউনিভার্সিটির সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য আহ্বান জানান তিনি। এদিকে  সেনেটর বার্নি স্যান্ডার্স আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়-পড়ুয়াদের প্যালেস্টাইনপন্থী বিক্ষোভে সমর্থন জানিয়েছেন। একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বাইডেনের তুলনা করেছেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি জনসনের সঙ্গে, যিনি ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময়ে  শিক্ষার্থীদের-বিক্ষোভের জেরে ১৯৬৮ সালে পুনর্নিবাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এ বার ইজরায়েল নিয়ে তাঁর অবস্থানের জন্য যুব সম্প্রদায় ও ডেমোক্র্যাটদের বড় অংশের সমর্থন খুইয়ে বাইডেন হেরে যেতে পারেন আগামী নভেম্বর মাসের নির্বাচনে, বলছেন স্যান্ডার্স । Article
ওয়েস্ট অরেঞ্জ-  ওয়েস্ট অরেঞ্জ , অবস্থান নিউজার্সির পশ্চিমে ।   আকাঁবাকা পাহাড়ের পথ ধরে মেয়েদের নিয়ে আমাদের যাত্রা শুরু। ঠিক হল বড় মেয়ে গাড়ি চালাবে আর পাশে ছোটজন বসবে। পাহাড়ী রাস্তা জেনে মেয়ের বাপ সামনের সিটে বসতে গেলে তাকে পেছনে পাঠিয়ে দেয়া হয়। বলা হয় তুমি তোমার বউ এর পাশে যেয়ে বসো আর হলিডে মুডে থাকো। মেয়ে গাড়ি টান দিলে বেচারা দেখলাম চুপচাপ সীটের হাতল ও জানালার হাতল শক্ত করে ধরে বসে সামনে অনিশ্চিত দৃষ্টি দিয়ে তাকিয়ে আছে। আমি মনে মনে বলছিলাম উপায় নেই গোলাম হোসেন এখন থেকে মেয়েদের পেছনে বসা শেখো। গাড়ির স্পিড কত হবে সবই তাদের মুডের উপর। গাড়ি ছুটছে । একেবারেই পাহাড়ের চূড়ায় উঠতে শুরু করেছে ।কান বন্ধ হয়ে আসবে ।মাটিতে থেকেই আকাশের ফ্লেবার পাবেন। পুরাই কানের ভেতরে কট কট শব্দ শুনতে পেলাম। সামনে থেকে সাবধানতার বানী আসে , আম্মু ভয় পাইয়ো না আমরা পাহাড়ের চূড়ায় উঠতেছি। চেয়ে দেখলাম পাশের ভদ্রলোক আরো শক্ত করে হাতল ধরে বসেছে ।   দি হাইলন এটি একটি ঐতিহাসিক রেস্তোরাঁ ।বিশেষ করে সামারে এর সৌন্দর্য দ্বিগুন হয় । ঘর থেকে বের হওয়ার আগে অবশ্যই আবহাওয়া দেখে বের হবেন। গরম হলে এর ভেতর ও বাইরের ভিউ চমৎকার লাগবে। কাজেই যেতে হলে সেই এলাকার তাপমাত্রা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। পোশাক কেমন হবে তা আপনার উপর । এর ভেতরে যেয়ে দেখেছি বেশীরভাগই আমেরিকার সিনিয়র সিটিজেন । কিছু আসছেন একেবারেই ছোট বাচ্চাদের সাথে নিয়ে। মানে আমার দুইটা ছাড়া টিনএজারদের দেখা মেলেনি। গম্ভীর প্রকৃতিক পরিবেশ এই প্রজন্মের ভালো লাগার কথা না। এত কথা বলবার কারন এর ভেতরের পরিবেশ বেশ গুরুগম্ভীর।   এটি ঐতিহাসিক রেস্তোরাঁ হবার পেছনে কারন অনেক। কোথা থেকে শুরু করব বুঝতে পারছি না। আচ্ছা ভেতর থেকেই বলি। পুরো রেস্টুরেন্টেই গ্লাস দিয়ে তৈরি । ভেতরে ও বাইরে বসে খাবার ব্যবস্থা আছে। দেখার মত ল্যান্ডমার্ক হল জানালা দিয়ে দেখতে পারেন নিউ ইয়র্ক সিটির স্কাইলাইন  । শুধু তাই না ফ্রি তে দেখবেন ম্যানহাটনের সৌন্দর্য ও নিউজার্সির সাথে সংযুক্ত আশেপাশের  প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ল্যান্ডস্কেপ । অনেকখানিই আকাশ থেকে দেখছেন মনে হবে । অভূতপূর্ব সব প্রাকৃতিক দৃশ্যবলী যা দেখে ক্ষনিকের জন্য হলেও মনে প্রশান্তি আসবে।   দি হাইলন থেকে কিভাবে এত কিছু একসাথে দেখা যায় ?হাইলন প্যাভিলিয় একেবারে পাহাড়ের চূড়ার উপর দাঁড়িয়ে আছে । এটি এসেক্স কাউন্টির কেন্দ্রস্থলে  অবস্থিত । এখানে চারশ একরের ও বেশি জায়গা নিয়ে সুন্দর একটি পার্ক আছে  ও একটি প্রকৃতিক বৃক্ষরাজী সংরক্ষণ কেন্দ্র আছে। এর নানান গাছগাছালি নিয়ে পুরো এলাকা ছবির মতো সাজানো।   আমার কাছে এই রেস্টুরেন্টে খুব বেশী গুরুত্বপূর্ণ লেগেছে এই কারনে যে এতে ঢুকবার মুখেই রয়েছে ৯/১১ শহীদদের স্মরণে তৈরী করা এসেক্স মেমোরিয়াল । নদীর আর পাহাড়ের গায়ে দেয়াল তুলে দেয়ালের গায়ে সব শহীদদের নাম খোদাই করা আছে। ফায়ার ডিপার্টমেন্টের তৈরী এই জায়াগার ৯/১১ সময় মানুষের জীবন বাজি রেখে মানুষের জীবন রক্ষায় শহীদ হওয়া তাদের সহকর্মীদের নাম নাম্বার সহ লোহা দিয়ে বানিয়ে হেলমেট সংরক্ষণ করেছে। যা দেখে মনে আপনার মন খারাপ হয়ে আসবে । তাদের প্রতি শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়ে আসবে। আপনার মনের ভেতরে কথারা কলবলিয়ে উঠবে ,  এসব ঘটনা যেই ঘটাক না কেন মরেছে তো মানুষই। এখনো মানুষ মরছে । মোদ্দাকথা হলো আপনারা তখনো আমেরিকানদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন । এখনো হচ্ছেন ।   হাইলন-এ গ্রিল রুম হল আধুনিক স্টেকহাউসের ডাইনিং । কথিত আছে এখানের সেরা মানের মাংস (আধা কাচা মাংসের স্টেক ) আমেরিকানদের তাজা রাখে । আমি বরাবরের মতো লেবু আর লবন দেয়া দুইপিস স্যামন  সাথে তাদের বিখ্যাত পানীয় প্রসেকো । অন্যরা কাচা মাংসের স্টেক খেয়েছে। কঠিন সব নাম । তাই মনে নেই। এদের La Marca Prosecco নিতে ভুলে যাবেন না । খাবার ও পানীয় মজার ছিল । দামও নাগালের মধ্যে। চারপাশে দর্শনীয় দৃশ্য ছাড়াও সিনেমার নায়ক নায়িকাদের মত সুন্দর ছেলে মেয়েদের অনবদ্য আন্তরিক পরিষেবা আপনাকে মুগ্ধ করবে । আউটডোর ইনডোর বার এবং ম্যানহাটনের পেছনের দৃশ্য সহ নতুন আমেরিকান নিত্য নতুন খাবারের সাথে নিজেকে সামান্য আপস্কেল করতে ওয়েস্ট অরেঞ্জ হোক আপনার আগামী হলিডের গন্তব্য । সবার জন্য শুভকামনা।   Article