NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬ | ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে সাইডলাইন বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী ইরানের ৭ দিনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন ট্রাম্প নেইমারের ১০ নম্বর জার্সি এখন রাফিনিয়ার দুবাইয়ে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে গান গাইবেন কেটি পেরি জাতিসংঘে দূরদর্শী ভাষণের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের পোস্ট ইতালির স্কুলে নিষিদ্ধ হচ্ছে বোরকা-নিকাব, বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যাতেও সীমা গাজায় নিজেদের ড্রোন বিস্ফোরণে দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত বানসালির ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’-এর পোস্টারে নতুন লুকে রণবীর বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার আধুনিকায়ন নিয়ে আলোচনা
Logo

International Desk

international
মক্কার কাছে হুথি ড্রোন ভূপাতিতের দাবি সৌদি আরবের-রিয়াদ — পবিত্র নগরী মক্কার আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই ইয়েমেনের হুথিদের উৎক্ষেপণ করা একটি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে সৌদি আরব। সৌদি নেতৃত্বাধীন ইয়েমেনবিষয়ক জোট জানিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মক্কার দক্ষিণে ড্রোনটি শনাক্ত করে সৌদি বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনী ধ্বংস করে। জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি জানান, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে ড্রোনটি মক্কার দক্ষিণে প্রতিহত করা হয়। ড্রোনটি পবিত্র নগরীর নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই ধ্বংস করা হয় বলে তিনি জানান। ঘটনার পর মক্কা ও সৌদি আরবের অন্যান্য এলাকায় নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়। আল-মালিকি বলেন, দুই পবিত্র মসজিদ ও সেখানে অবস্থানরত মুসল্লি ও ওমরাহ পালনকারীদের নিরাপত্তা সৌদি আরবের জন্য ‘রেড লাইন’। ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। সৌদি কর্তৃপক্ষের দাবি, এটি মক্কাকে লক্ষ্য করে হুথিদের দ্বিতীয় হামলার প্রচেষ্টা। এর আগে ২০১৭ সালে মক্কার দিকে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছিল বলে সৌদি পক্ষ উল্লেখ করেছে। তবে হুথিরা মক্কা বা কোনো ইসলামী পবিত্র স্থানকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছে। Reuters-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হুথিরা সৌদি ভূখণ্ডে সাম্প্রতিক কয়েকটি হামলার দায় স্বীকার করলেও মক্কাকে লক্ষ্য করার বিষয়টি অস্বীকার করেছে। মক্কা ইসলামের পবিত্রতম নগরী এবং এখানেই অবস্থিত মসজিদুল হারাম ও পবিত্র কাবা। সৌদি আরব ও হুথিদের মধ্যে সাম্প্রতিক সংঘাতের তীব্রতা বৃদ্ধির মধ্যেই মক্কার কাছে ড্রোন প্রতিহতের এই ঘটনা আঞ্চলিক উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। Article
বাঁধনের খোঁজ নিতে বাসায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী- ইতালিতে হামলার শিকার হয়ে দেশে ফেরার পর অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের সঙ্গে দেখা করতে তার বাসায় গেলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জনাব হুমায়ুন কবির।  মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টে বিষয়টি জানিয়েছেন বাঁধন নিজেই।   কিছুদিন আগে ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমার প্রদর্শনীতে অংশ নিতে ইতালিতে গিয়েছিলেন বাঁধন। দেশটির মেস্ত্রে শহরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের প্রবাসী কর্মীদের হাতে লাঞ্ছিত হওয়ার অভিযোগ করেন এই অভিনেত্রী। অনাকাঙ্ক্ষিত সেই ঘটনার পর সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে দেশে ফেরেন বাঁধন। দেশে ফিরে তিনি জানান, ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে নিজের সহকর্মীদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সহযোগিতা পাননি।   এর এক দিন পরই বাঁধন জানান, তার ও পরিবারের খোঁজ নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে বাসায় উপস্থিত হয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জনাব হুমায়ুন কবির। ফেসবুক পোস্টে বাঁধন লিখেছেন, ‘আজ আমার ও আমার পরিবারের খোঁজ নিতে আমাদের বাসায় এসেছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জনাব হুমায়ুন কবির সাহেব। তাঁর এই আন্তরিকতা, সৌজন্য এবং দায়িত্বশীলতার জন্য আমি গভীরভাবে সম্মানিত ও কৃতজ্ঞ।’ এরপর অভিনেত্রী আরো লিখেন, ‘এই কঠিন সময়ে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আমাদের পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগ আমাকে ব্যক্তিগতভাবে যেমন আশ্বস্ত করেছে, তেমনি একজন নাগরিক হিসেবে রাষ্ট্রের প্রতি আমার আস্থাকেও আরো দৃঢ় করেছে। আমি বিশ্বাস করি, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শক্তি তার জনগণ। আর সেই জনগণের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় রাষ্ট্র যখন দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে, তখন নাগরিকের আস্থার জায়গাটি আরো শক্তিশালী হয়।’   যারা তার পাশে দাঁড়িয়েছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বাঁধন লিখেন, ইতালিতে সাম্প্রতিক কঠিন সময়ে বাংলাদেশ সরকার, মাননীয় সরকারপ্রধান, বাংলাদেশ দূতাবাস, ইতালীয় সরকার ও পুলিশ বিভাগ এবং দেশে-বিদেশে যাঁরা আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন, আমার ও আমার পরিবারের খোঁজ নিয়েছেন এবং মানবিক সহায়তা ও সমর্থন দিয়েছেন—আমি সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। অভিনেত্রীর কথায়, এই অভিজ্ঞতা আমাকে আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে অন্যায়, ভয় ও বিভাজনের বিরুদ্ধে আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো ঐক্য, সাহস এবং মানুষের প্রতি মানুষের দায়িত্ববোধ। মতের পার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু একজন নাগরিকের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও অধিকার নিয়ে কোনো আপস হতে পারে না।   উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার মেস্ত্রে শহরে ‘জুলাই জঙ্গি’ আখ্যা দিয়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় বাঁধনকে, যার ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পর গত ৮ সেপ্টেম্বর ইতালিতে মামলা করেন অভিনেত্রী।  বিষয়টি নিয়ে জাতীয় সংসদেও আলোচনা হয়েছে, যেখানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এ হামলাকে ‘গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার ওপর হামলা’ হিসেবে অভিহিত করেন। Article
সৌদি সামরিক ঘাঁটিতে হামলার দাবি হুতিদের, ইয়েমেনে সংঘাত তীব্র-দুবাই: ইয়েমেনে লড়াই তীব্র হওয়ার মধ্যে সৌদি আরবের একটি সামরিক ঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীরা। রোববার হুতিরা দাবি করে, সৌদি আরবের শারুরাহ এলাকায় একটি সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়েছে। ইয়েমেনে সৌদি বিমান হামলার জবাবে এই অভিযান চালানো হয়েছে বলেও দাবি করেছে তারা। হুতিরা আরও সতর্ক করে বলেছে, সৌদি আরব ইয়েমেনে হামলা অব্যাহত রাখলে তারা আরও হামলা চালাবে। ইয়েমেনের হুতিদের সঙ্গে সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনীর লড়াই নতুন করে তীব্র হওয়ার মধ্যেই সর্বশেষ এই হামলার দাবি করা হলো। সাম্প্রতিক সময়ে ইয়েমেনের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি এলাকায় হুতিদের অগ্রসর হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। হুতিদের অগ্রযাত্রা ঠেকাতে সৌদি আরব বিমান হামলা চালাচ্ছে। অন্যদিকে সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনি সরকারি বাহিনীও হুতিদের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযান চালাচ্ছে। এই সংঘাতের ফলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরকে সংযুক্তকারী কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা বাড়ছে। বাব আল-মান্দেব বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। এই পথে সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল, বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের ওপরও প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে সৌদি সামরিক ঘাঁটিতে হুতিদের কথিত হামলার দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। হামলায় ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। Article
যুক্তরাষ্ট্রের কাছে কি সত্যিই আর ১৪ দিন চলার মতো তেল আছে?- সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে আর মাত্র ১৪ দিনের তেল গচ্ছিত রয়েছে। এমন দাবি ঘিরে শোরগোল শুরু হয়েছে বিশ্বজুড়ে।     দাবির পক্ষে একটি সরল হিসাব দেখানো হচ্ছে, দেশটির স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভে (এসপিআর) রয়েছে ২৮৬.৬ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল এবং তারা দৈনিক ব্যবহার করে প্রায় ২০.৭ মিলিয়ন ব্যারেল। একটিকে অন্যটি দিয়ে ভাগ করলে ফল পাওয়া যায় ‘১৪ দিন’!  দাবিটি সোজাসাপ্টা মনে হলেও আদতে এই গাণিতিক হিসাব মারাত্মক ভুল ও বিভ্রান্তিকর। তবে এই ভাইরালের আড়ালে চাপা পড়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি খাতের একটি সত্যিকারের বড় উদ্বেগের চিত্র। ভুল হিসাবটি মূলত দুটি ভিন্ন জিনিসকে গুলিয়ে ফেলেছে। প্রথমত, এসপিআর হলো কেবল সরকারের আপৎকালীন জরুরি মজুদ। কিন্তু আমেরিকা প্রতিদিন যে ২০.৭ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ব্যবহার করে, তা পরিশোধিত জ্বালানি, যার মধ্যে পেট্রল, ডিজেল ও জেট ফুয়েল রয়েছে।    দ্বিতীয়ত, এই দাবি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়মিত উৎপাদনকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করা হয়েছে। বিষয়টি এমন এক হিসাবের মতো দাঁড়ায়, যেন একটি পরিবার প্রতিদিন বাজারে কতটুকু কেনাকাটা করছে বা রান্না করছে তা না গুনে, কেবল ঘরে মজুদ থাকা খাবার দেখে বলে দেওয়া হলো—‘তাদের খাবার শেষ হতে আর ১৪ দিন বাকি!’ বাস্তবতা হলো, যুক্তরাষ্ট্র কেবল জরুরি মজুদের ওপর ভর করে চলে না। মার্কিন এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (ইআইএ) তথ্য অনুযায়ী, দেশটি দৈনিক গড়ে ১৩.৯ মিলিয়ন ব্যারেল অপরিশোধিত তেল নিজেই উৎপাদন করে। এছাড়া বাণিজ্যিক মজুদে আরো প্রায় ৪২৪.৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল গচ্ছিত রয়েছে। প্রতিদিন তাদের রিফাইনারিগুলোতে প্রায় ১৭.৫ মিলিয়ন ব্যারেল তেল শোধন করা হয় এবং এর বাইরে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল আমদানি ও রপ্তানি অব্যাহত রয়েছে। অর্থাৎ আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র কোনোভাবেই তেলশূন্য হয়ে পড়ছে না।   তবে যুক্তরাষ্ট্রের তেল হঠাৎ ফুরিয়ে না গেলেও আসল উদ্বেগ হলো, মার্কিন আপৎকালীন জ্বালানি সুরক্ষার ‘বীমা’ এখন স্মরণকালের সবচেয়ে কম। ১৯৭৩-৭৪ সালের আরব তেল অবরোধের ধাক্কার পর ১৯৭৫ সালে এই এসপিআর গঠন করে মার্কিন কংগ্রেস। মেক্সিকো উপসাগরের বিশাল ভূগর্ভস্থ টানেলে রাখা এই রিজার্ভের ধারণক্ষমতা প্রায় ৭১৪ মিলিয়ন ব্যারেল। ২০২০ সালেও যেখানে দেশটির জরুরি মজুদ ছিল ৬৩৮ মিলিয়ন ব্যারেল, ২০২৬ সালের আগস্ট শেষে তা ১৯৮২ সালের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে এসে মাত্র ২৮৬.৬ মিলিয়ন ব্যারেলে ঠেকেছে।   সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক সংকটের কারণেই মূলত এই জরুরি তহবিল খালি হয়েছে। ২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দিলে বাইডেন প্রশাসন এসপিআর থেকে রেকর্ড ১৮০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়ে। এতে জ্বালানির দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও জরুরি মজুদ বড় ধাক্কা খায়। পরবর্তীতে ২০২৬ সালে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান সংকট এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাণিজ্যের প্রধান রুট ‘হরমুজ প্রণালী’ অবরুদ্ধ হওয়ার পর আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে ট্রাম্প প্রশাসন এসপিআর থেকে আরও ১৭২ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ছাড়ার ঘোষণা দেয়। ফলে গত এপ্রিলে ৪১৩.৩ মিলিয়ন ব্যারেলে থাকা মজুদ মাত্র চার মাসের ব্যবধানে ১২৭ মিলিয়ন ব্যারেল কমে ২৮৬.৬ মিলিয়নে নেমে আসে।  আজ যদি নতুন কোনো আন্তর্জাতিক যুদ্ধ, সমুদ্র অবরোধ বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়, তবে ওয়াশিংটনের হাতে বাজার নিয়ন্ত্রণ করার মতো পর্যাপ্ত ‘রসদ’ বা ‘অস্ত্র’ অবশিষ্ট নেই। জরুরি রিজার্ভ থেকে প্রতিদিন এভাবে তেল ছাড়া দীর্ঘ মেয়াদে সম্ভব নয়। আবার সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম হু-হু করে লাফিয়ে বাড়তে পারে। এ ছাড়া বর্তমান চুক্তি অনুযায়ী গৃহীত এই তেল ভবিষ্যতে চড়া দামে কিনে আবার সরকারি গুদামে ভরতে হবে, যা মার্কিন অর্থনীতির জন্য নতুন চাপ তৈরি করবে। Article