NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, মার্চ ১১, ২০২৬ | ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২
Logo
logo

বাংলাদেশ লেডিস ক্লাব অস্ট্রেলিয়া’র বনভোজন অনুষ্ঠিত


খবর   প্রকাশিত:  ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০৩:০১ এএম

বাংলাদেশ লেডিস ক্লাব অস্ট্রেলিয়া’র বনভোজন অনুষ্ঠিত

সিডনিতে বাংলাদেশ লেডিস ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার স্থানীয় ওয়ারাম্বা ড্যামের পিকনিক স্পটে দিনব্যাপী নানা আয়োজনের পাশাপাশি ছিল সকাল ও বিকেলের চাসহ দুপুরে মজাদার খাবার।

বাংলাদেশ লেডিস ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি রাহেলা আরেফিন ও সাধারণ সম্পাদক শিরিন আক্তার মুন্নি সবাইকে বিজয়ের শুভেচ্ছাসহ বনভোজনে অংশগ্রহণের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়ে স্বাগত বক্তব্য রাখেন।

পিকনিককে আরো আনন্দময় করে তুলতে আগত অতিথিদের নিয়ে নানান খেলাধুলার আয়োজন করা হয়। পুরুষদের অংশ গ্রহণে শুরু হয় চামুচে করে মার্বেল মুখে নিয়ে দৌড় ও বালিশ খেলা। নারী সদস্যদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বালিশ খেলার পর দুপুরের খাবার ও নামাজের বিরতি দেয়া হয়। সম্পূর্ণ বাঙালি মেনুতে পিকনিকের জায়গায় রান্না করা খাবার পরিবেশন করা হয়।

 

বিকেলে বিনোদনের জন্য ছিল গান বাজনা, কবিতা আবৃত্তি, ছোটদের অঙ্কন প্রতিযোগিতাসহ নানা ধরনের খেলাধুলার আয়োজন। এরপর বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ ও বিকেলের চা পরিবেশনের পর বিকেল পাঁচটায় বনভোজনের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। খাবার রান্না ও সার্বিক আয়োজনের দায়িত্বে ছিলেন কাজী শামসুল আলম, ফারুক আহমেদ ও  শাহাজাহান চৌধুরী।

বাংলাদেশ লেডিস ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার এবারের বনভোজন ছিল শুধুমাত্র সদস্য ও তাদের পরিবারের জন্য। এই বনভোজনের জন্য কোনো সাধারণ সদস্যদের কাছ থেকে চাঁদা নেয়া হয়নি। ক্লাবের নিজস্ব ফান্ড থেকে এই বনভোজনের সকল ব্যয় করা হয়। তবে এক্সিকিউটিভ সদস্যরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী দিয়ে বনভোজনকে আরো সুন্দরভাবে করার সহযোগিতা করেন।

বিভিন্নভাবে এই পিকনিক সফল করে তুলতে সহযোগিতা করেন আবু রেজা আরেফিন, নাইম আব্দুল্লাহ, শাখাওয়াত হোসাইন বাবু ও আসওয়াদ বাবু প্রমুখ। এই বনভোজনের ব্যানার বিনামূল্যে টাচ প্রিন্টিংয়ের সৌজন্যে দেয়া হয়েছে। সাউন্ড সিস্টেমের দায়িত্বে ছিল জন্মভূমি টেলিভিশন।

বাংলাদেশ লেডিস ক্লাব অস্ট্রেলিয়া ‘নারীর ক্ষমতায়ন, বৈচিত্র্যতা, মর্যাদা ও সম্মান’ এই স্লোগান নিয়ে দেশে ও প্রবাসে নারীদের কল্যাণে বিভিন্ন জনহিতকর কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। প্রায় শতাধিক সদস্য নিয়ে প্রতিষ্ঠার এক বছরে তারা এই প্রবাসে অন্যতম নারী সংগঠন হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে।